করোনা চিকিৎসায় দুটি ওষুধের ব্যবহারের সুপারিশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার! রইল মেডিসিনের খুঁটিনাটি
গোটা বিশ্বে করোনা সংক্রমণ ভয়ঙ্কর গতিতে বাড়ছে। বিশেষ করে করোনার নয়া ভ্যারিয়েন্টে মারাত্মক ভাবে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। এই অবস্থায় করোনা রোগীর চিকিৎসায় দুটি ওষুধের সুপারিশ করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এই দুটি ওষুধ করোনা আক্রান্ত র
গোটা বিশ্বে করোনা সংক্রমণ ভয়ঙ্কর গতিতে বাড়ছে। বিশেষ করে করোনার নয়া ভ্যারিয়েন্টে মারাত্মক ভাবে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। এই অবস্থায় করোনা রোগীর চিকিৎসায় দুটি ওষুধের সুপারিশ করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এই দুটি ওষুধ করোনা আক্রান্ত রোগীর সঙ্কটজনক অবস্থাতে দেওয়া যেতে পারে।

গবেষকরা মনে করছেন এই দুই ওষুধ করোনা রোগীকে দ্রুত আরাম দেবে এবং মৃতের সংখ্যা অনেকটাই কমিয়ে দেবে। কোন দুই ওষুধের কথা বলছে হু?
করোনা চিকিৎসাতে দুটি ওষুধের কথা বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এর মধ্যে একটি হল baricitinib। এই ওষুধ rheumatoid arthritis-এর চিকিৎসার ক্ষেত্রে ডাক্তাররা ব্যবহার করে থাকেন। করোনায় সঙ্কটজনক অবস্থায় থাকা রোগীকে এই অষুধ দেওয়া যেতে পারে বলে জানাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
এই ওষুধ স্টেরোডের সঙ্গে ব্যবহার করার কথা বলছেন হুয়ের গবেষকরা। এছাড়া এমন অনেক রোগী রয়েছেন যাদের অবস্থা সঙ্কটজনক নয়। কিন্তু হাই রিস্ক রোগীর (high risk patients) তালিকায় আছেন। তাঁদের ক্ষেত্রে monoclonal antibody-এর ওষুধ sotrovimab দেওয়ার কথা বলছেন চিকিৎসকরা।
এছাড়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা casirivimab-imdevimab কোম্বিনেশনে অ্যান্টিবডি ককটেল করে দেওয়ারও পরামর্শ দিচ্ছে।
বলে রাখা প্রয়োজন, ভারতে এই ওষুধ আগে থেকেই করোনা আক্রান্ত রোগীদের উপর প্রয়োগ করা হচ্ছে। থার্ড ওয়েভে অনেকে চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মী করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। চিকিৎসার প্রথমদিনেই monoclonal antibody-এর ইঞ্জেকশন নিয়ে চিকিৎসা শুরু করছেন।
এমনকি সম্প্রতি কলকাতাতেও সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় সহ একাধিক রোগীর চিকিৎসা হয়েছে এই পদ্ধতিতেই। কিন্তু এই চিকিৎসা অনেক ক্ষেত্রে বহু ব্যায়ের। সবার পক্ষে করাও সম্ভব নয়। এমনকি কিছু বিতর্কও রয়েছে এই চিকিৎসা করার ক্ষেত্রে। তবে এই ওষুধ একবার নিলে অনেক ক্ষেত্রে রোগীরা মাত্র চার থেকে পাঁচদিনের মধ্যে করোনা নেগেটিভ এসে যাচ্ছে।
গোটা বিশ্বে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সংক্রমণের সংখ্যা। আমেরিকা সহ একাধিক দেশে করোনার নয়া ভ্যারিয়েন্টে ভয়ঙ্কর ভাবে থাবা বসিয়েছে। বড়দের সঙ্গেই আক্রান্ত হচ্ছে ছোটরাও। হাসপাতালে পর্যন্ত ভর্তি করতে হচ্ছে তাঁদের।
শুধু বিশ্বেই নয়, ভারতে ক্রমশ বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২,৬৪,২০২ জন। তবে ওমিক্রন আক্রান্তের সংক্রমণকে হালকা ভাবে নিলে হবে না নতুন নির্দেশিকা জারি করে সাধারণ মানূষকে সাবধান করেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। এমনকি হালকা সর্দি কিংবা কাশির মতোও যাতে না নেওয়া হয় সে বিষয়েও সতর্ক করেছে। আর এই আতঙ্কের মধ্যেই কার্যত করোনা চিকিৎসা নিয়ে আশার আলো দেখাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।












Click it and Unblock the Notifications