উপহারে রামলালার ঘর, জামাইয়ের জন্য কী কী উপহার এলো জনকপুরী থেকে? জেনে নিন
৩০০০ র বেশি উপহার এসেছে অযোধ্যায়। ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তো বটেই প্রতিবেশী দেশগুলি থেকেউ উপহার পাঠানো হয়েছে। তবে সব উপহারের চেয়েও বেশি আগ্রহের সীতার বাড়ি থেকে কোন উপহার এলো জামাইয়ের জন্য।
আগেই নেপাল রামের মূর্তি তৈরির জন্য বিশাল আকৃতির দুটি শালিগ্রাম শিলা পাঠিয়ে ছিল। সেই পাথর দিয়েই তৈরি হয়েছে মূর্তিটি। এছাড়াও জামাইয়ের জন্য সীতার বাড়ি থেকে এসেছে একাদিক উপহার। নেপালের জনকপুরীকে বলা হয় সীতার জন্মস্থান। রামায়ণ অনুসারে রাজা জনকের ঘরে জন্মে ছিলেন সীতামাতা। মিথিলা ছিল রাজা জনকের রাজধানী। সেটা বর্তমানে নেপালে অবস্থাত।

নেপালের সঙ্গে ভারতের সুসম্পর্ক রয়েছে। প্রতিবেশী রাষ্ট্র হলেও ভারতীয়দের নেপালে যেতে ভিসা লাগে না। আবার নেপালিদেরও ভারতে আসতে ভিসা লাগে না। এক কথায় পারমিটেই দুই দেশের জনগণ আসা যাওয়া করে। এখনও নেপালের বাসিন্দারা ভারতে কাজ করে আবার নেপালে ফিরে যান। ভারতীয়দের ক্ষেত্রেও তাই। কাজেই নেপালের সঙ্গে ভারতের আলাদা একটা সম্পর্ক রয়েছে।
Only 8 days to go!
— MyGovIndia (@mygovindia) January 14, 2024
रामलला आने वाले हैं।
A heartwarming gesture as over 3,000 gifts arrive in Ayodhya for Prabhu Shri Ram from Mata Sita's home in Janakpur Dham, Nepal.#RamMandir#Ayodhya#ShriRamJanmbhoomi pic.twitter.com/wgIkxeBAyU
সীতামাকতার জন্মভূমি নেপাল। সেই নেপালের জনকপুর থেকে জামাই রামের জন্য এলো উপহার। রুপোর জুতো, পোশাক, গয়না সবই এসেছে সেখান থেকে। জনকপুরের রামজানকী মন্দিরক থেকে ৩০টি গাড়িতে করে সেই উপহার এসে পৌঁছেছে অযোধ্যায়। ৫০০ ভক্ত সেই উপহারগুলি নিয়ে এসেছে। শুধু পোশাক বা জামাকাপড় বা গয়না নয় ফল, মিষ্টিও এসেছে শ্বশুরবাড়ি থেকে। বিশেষ করে কাজু,কিসমিসের মতো ড্রাই ফ্রুটসও এসেছে নেপাল থেকে। ডিসেম্বর মাসেই রাম বিবাহ উৎসব হয়ে গিয়েছে। বৈদিক নিয়ম মেনেই হয়েছে সেই বিয়ের অনুষ্ঠান।
পৌরানিক কাহিনী অনুযায়ী রাম সীতার বিয়ে হয়েছিল মার্গ শিপ্রা মাসের শুক্ল পক্ষের পঞ্চম দিনে। যাকে বিবাহ তিথি পঞ্চমী হিসেবে উদযাপন করা হয়। প্রতিবছর অযোধ্যা এবং জনকপুরের মধ্যে এই অনুষ্ঠান করা হয়। ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসছে উপহার। ইতিমধ্যেই ১০৮ ফুটের ঘণ্টা এসে পৌঁছেছে অযোধ্যায়। অষ্টধাতু দিয়ে তৈরি করা হয়েছে সেই ছবি। এসেছে ২১০০ ড্রাম রান্নার তেল সীতা রসোইয়ের জন্য। এছাড়া লাড়ু এসেছে টন টন, সেগুলি প্রসাদ হিেসবে অনলাইনে দেওয়ার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। এছাড়াও এসেছে বিশাল আকৃতির ধূপকাঠি।
আগামীকাল অর্থাৎ ১৬ জানুয়ারি থেকেই অযোধ্যায় রাম মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগাম অনুষ্ঠান শুরু হয়ে যাচ্ছে। কর্নাটকের শিল্পীর তৈরি মূর্তিই প্রতিষ্ঠা করা হবে রামমন্দিরে জানিয়ে দিয়েছে মন্দির কমিটি। কাজেই এখন আর ফুরসত নেই তাঁদের। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে মন্দির সাজানোর কাজ। আলোকমালায় সেজে উঠেছে অযোধ্যা নগরী। তৈরি পুলিশ প্রশাসনও। পুণ্যার্থীরাও আসতে শুরু করে দিয়েছেন অযোধ্যায়। এবার ধাপে দাপে মূল অনুষ্ঠানের দিকে এগোনোর পালা।












Click it and Unblock the Notifications