টার্গেট মালদহ, নাড্ডার পর এবার প্রচারে যোগী, শুভেন্দুকে পাশে রেখে কোনও রণকৌশলে এগোচ্ছে বিজেপি
টার্গেট মালদহ, নাড্ডার পর এবার প্রচারে যোগী, শুভেন্দুকে পাশে রেখে কোনও রণকৌশলে এগোচ্ছে বিজেপি
নাড্ডার পর এবার মালদহে প্রচারে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। একের পর এক বিজেপির হেভিওয়েট নেতারে মালদহের প্রচার ময়দানে নামিয়ে ভোট ব্যাঙ্কের অন্য অঙ্ক কষতে শুরু করেছে। বাম-কংগ্রেস জোটের সঙ্গে মালদহ নিয়ে এখনও আসন জট কাটেনি আব্বাসদের জট। তৃণমূলও দুর্বল এখানে। সেই ফায়দা তুলে শুভেন্দুকে পাশে নিয়ে ভোট ব্যাঙ্কের শক্তি বাড়াতেই যোগীকে নিয়ে আসা বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

বিজেপির নজরে মালদহ
লোকসভা ভোটের পর থেকেই বিেজপির নজর পড়ছে মালদহে। সংখ্যালঘু প্রভাবিত সীমান্ত জেলা মালদহ। তারপরেও লোকসভা ভোটে মালদহে ইংরেজ বাজারে ভাল ভোট পেয়েছে বিজেপি। সেকথা মনে করেই দলের কর্মীদের চাঙ্গা করতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা মালদহ সফরে গিয়েছিলেন। সেখানে গিয়ে রোড শো করার পাশাপাশি বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে পংক্তি ভোজনও করেছেন তিনি।

মালদহে প্রচারে যোগী
নাড্ডার পর এবার মালদহে প্রচারে যাচ্ছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। নাড্ডাকে মালদহে প্রচারে পাঠিয়ে বিজেপি বুধিয়ে দিয়েছে এবারের ভোটে বড় ভোট ফ্যাক্টর হতে চলেছে মালদহ। শুভেন্দু অধিকারীকে সঙ্গে নিয়েই মালদহে প্রচার করবেন যোগী আদিত্যনাথ। শুভেন্দুকে সঙ্গে রাখার অন্যতম কারণ মালদহ জয়ের সঠিক রণকৌশল অনেকটাই জানা শুভেন্দুর। কারণ তৃণমূল কংগ্রেসে থাকাকালীন মালদহের পর্যবেক্ষক ছিলেন শুভেন্দু। তাঁর দৌলতেই গণি খানের গড়ে ভাঙন ধরিয়ে মৌসমকে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করাতে পেরেছিলেন।শুভেন্দু অনেকটা হালুর মতোই জানেন মালদহকে।

তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্ব
মালদহে তৃণমূল কংগ্রেস খুব একটা সুবিধাজনক অবস্থানে নেই। কৃষ্ণেন্দু নারায়ণের সঙ্গে তুমুল সংঘাত রয়েছে শাসক দলের আরেক গোষ্ঠীর। এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফায়দা তুলতে পারে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও মালদহে সভা করেছেন। সেখান থেকে মমতা বলেছিলেন মালদহের মানুষ এখনও তাঁদের সঙ্গে আসেননি। মৌসম ও কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরীকে মালদহের দায়িত্ব দিয়েছেন তিনি। তাঁরা যাতে এবার মালদহে তৃণমূলের ভাল ফলের দায়িত্ব নেন সেদিকে দেখার কথা বলেছেন।

জোটে আসন জট
অন্যদিকে কংগ্রেসও সংকটে রয়েছে এখানে। জোটের সঙ্গে মালদহের আসন রফা নিয়ে জট রয়েছে। আব্বাসের দলকে মালদহের একটি আসনও ছাড়া হবে না বলে জানিয়েছেন অধীর চৌধুরী। এদিকে আব্বাস সিদ্দিকি কংগ্রেসের কাছে মালদহ এবং মুর্শিদাবাদের আসন দাবি করেছে। কাজেই মালদহ এবার বিজেপির পক্ষে বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে চলেছে তাকে কোনও সন্দেহ েনই।












Click it and Unblock the Notifications