বন্দে মাতরম এর ১৫০ বছর পূর্তি, বছরজুড়ে উৎযাপনে কী বার্তা দিতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী ? জানুন
স্বাধীনতা আন্দোলন থেকে আজকের জাতীয়তাবোধ ভারতের মাটিতে দেশপ্রেমের এক স্পন্দন জাগিয়ে রেখেছে বন্দে মাতরম। সেই চেতনার ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে শুক্রবার রাজধানীর ইন্দিরা গান্ধী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে বছরব্যাপী উৎযাপনের সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রকাশ করা হল বিশেষ স্মারক ডাকটিকিট ও স্মারক মুদ্রাও।
এই উদ্যোগের মধ্য দিয়ে চলতি বছরের ৭ নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৭ নভেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে বন্দে মাতরম এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও আবেগকে নতুন করে স্মরণ করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী এক্স হ্যাণ্ডেলে লিখেছেন, বন্দে মাতরম যে আহ্বান আজও প্রজন্মের পর প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করেছে, তাকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছি আমরা। উৎযাপনের অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন জনস্থান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সরকারি ভবনে সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে একযোগে বন্দে মাতরম এর সম্পূর্ণ রূপে সমবেত গানে অংশ নেবেন সাধারণ মানুষ। লক্ষ্য দেশজুড়ে জাতীয় সংহতি ও গৌরবের অনুভূতিকে আরও সুদৃঢ় করা।
১৮৭৫ সালের অক্ষয় নবমীতে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম লেখক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচনা করেছিলেন বন্দে মাতরম। প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল তাঁর সম্পাদিত সাময়িকী বঙ্গদর্শনে উপন্যাস আনন্দমঠ এর অংশ হিসেবে।
এই গানেই প্রথম ভারতমাতাকে দেখা যায় শক্তি, সমৃদ্ধি ও দেবীরূপী মাতৃশক্তির প্রতীক হিসেবে।
স্বাধীনতা সংগ্রামের পথে সে গান পরিণত হয় প্রতিবাদ, আত্মসম্মান ও জাতীয় চেতনার ঘোষণাপত্রে। কালের পরিক্রমায় রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে সাহিত্য ও সংস্কৃতির অন্তরালে, জনতার হৃদয়ে একে দেশের প্রতি নিবেদন হিসেবে বরণ করা হয়েছে।
আজ সেই গান নতুন প্রজন্মের সামনে নতুন আলোয় উঠে আসছে, স্মরণ করছে অতীত, ভবিষ্যতের কাছে রেখে যাচ্ছে দায়বদ্ধতার বার্তা।তবে বন্দে মাতরম শুধু গান নয়, এক অনুভূতি, এক শপথ।












Click it and Unblock the Notifications