হীরের আংটি–সোনার হার নয়, প্রেমিকাকে চাঁদে একখণ্ড জমি উপহার দিলেন বরোদার ব্যবসায়ী
হীরের আংটি–সোনার হার নয়, প্রেমিকাকে চাঁদে একখণ্ড জমি উপহার দিলেন বরোদার ব্যবসায়ী
চাঁদ এবং চাঁদের সৌন্দর্য্যের সঙ্গে প্রেমিকার রূপের প্রশংসা করা সেই আদিযুগ থেকে হয়ে আসছে। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে প্রেমিক যুগলদের কাছে চাঁদের সৌন্দর্য্য কেন্দ্রীয় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনকী আজকের যুগে দাঁড়িয়েও, লোকেরা তাঁর প্রেমিকাকে চাঁদ–তারা নিয়ে আসার প্রতিশ্রুতি দেন।

তবে বরোদার হেমালি প্যাটেলের কাছে চাঁদ–তারা নিয়ে আসার প্রতিশ্রুতির চেয়েও এটা অনেক বড় ব্যাপার, যখন তাঁর ২৫ বছরের বাগদত্তা তথা ব্যবসায়ী ময়ূর প্যাটেল, তাঁর নামে চাঁদে এক একর জমি কিনে দেন। ইঞ্জিনিয়ার হেমালির সঙ্গে এ বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি ময়ূরের বাগদান পর্ব হয়। এর আগে তাঁরা আড়াই বছরের সম্পর্কে ছিলেন। হেমালি তাঁর হবু বরের থেকে হিরের আংটি বা সোনার হার আশা করেছিলেন উপহার হিসাবে। কিন্তু হেমালির উচ্ছাস আকাশ ছোঁয়া হয় যখন ময়ূর তাঁকে তাঁর নামে চাঁদে কেনা জমির দলিল হাতে দিয়ে অবাক করে দেয়। লিখিত তথ্যে বলা হয়েছে, স্বর্গীয় জায়গার এক টুকরো জমির মালিক হলেন হেমালি, এই যুগল শুধুমাত্র একটি ডিজিটাল সম্পত্তি হিসাবে তাঁদের মালিকানা বিবেচনা করতে পারেন।
প্রসঙ্গত, ১৯৬৭ সালের ২৭ জানুয়ারি এ সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি করে সোভিয়েত ইউনিয়ন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য। 'দ্য আউটার স্পেস ট্রিটি’ নামক এই চুক্তি আন্তর্জাতিক মহাকাশ আইনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা। চুক্তিতে বলা হয়েছে, পৃথিবীর বাইরে মহাশূন্যে, চাঁদ এবং অন্যান্য যেসব বস্তু রয়েছে সেগুলো কোনো দেশ দখল বা নিজেদের একক সম্পত্তি দাবি করতে পারবে না। এত কিছুর পরও বরোদার ওই তরুণী তাঁর হবু বরের এই ধরনের কাণ্ডে অবশ্যই যে খুশি হয়েছেন তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
এর আগে পশ্চিমবঙ্গের পাঁশকুড়ার বাসিন্দা শান্তনু চক্রবর্তী স্ত্রী সায়ন্তিকাকে ভ্যালেন্টাইনের দিন চাঁদে জমি কিনে উপহার দিয়েছিলেন। ভালবাসা দিবসে উপগ্রহ চাঁদে কেনা ১ একর জায়গার মানচিত্র-সহ দলিল নিজের স্ত্রী সায়ন্তিকার হাতে তুলে দিয়েছিলেন স্বামী শান্তনু চক্রবর্তী। এছাড়াও এ বছরের জানুয়ারিতে প্রথম বিবাহবার্ষিকীতে স্ত্রীকে চাঁদের বুকে এক খণ্ড জমি কিনে দেন রানাঘাটের যুবক।












Click it and Unblock the Notifications