চিনের বাড়াবাড়ি বন্ধ করতে ফ্রান্সকে পাশে নিয়ে বড় পরিকল্পনা ভারতের
এই সপ্তাহেই ভারতে আসছেন ফরাসি রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করবেন তিনি।
এই সপ্তাহেই ভারতে আসছেন ফরাসি রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করবেন তিনি। তবে এই বৈঠকের অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকও রয়েছে। কৌশলে চিনের উপরে চাপ তৈরি করতে চাইছে ভারত। আর সেক্ষেত্রে ফ্রান্সের সাহায্য নয়াদিল্লি পেতে পারে।

ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চিনের দাপাদাপি বন্ধ করতে ভারত, জাপান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া জোটবদ্ধ হয়েছে। এক নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে এই এলাকায়। আবার ভারত মহাসাগরের ক্ষেত্রে ভারত-ফ্রান্স এক জায়গায় রয়েছে। বস্তুত দুই মহাসাগর এলাকাতেই নিজেদের অবস্থান জোরদার করতে চিন বদ্ধপরিকর। আর সেই জায়গাতেই ভারত বেজিংকে আটকে দিতে চাইছে।
ফ্রান্সের সঙ্গে ভারতের নিউক্লিয়ার পাওয়ার কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়ার চুক্তি হতে চলেছে। পাশাপাশি ভারত মহাসাগরেও নজরদারি বাড়াতে দুই দেশ হাত মেলাচ্ছে। এর ফলে ভারত মহাসাগরে ফ্রান্সের সেনা ঘাঁটি সময় বিশেষে ভারত ব্যবহার করতে পারবে।
ভারত মহাসাগর এলাকায় ফ্রান্সের শক্তি সবচেয়ে বেশি। মোজাম্বিক, জিবৌতি, আবু ধাবি, রিইউনিয়ন দ্বীপপুঞ্জে ফরাসি সেনার ঘাঁটি রয়েছে। ফলে ফ্রান্সের সঙ্গে মেলামেশা বাড়ানো চিনকে চিন্তায় ফেলবে সন্দেহ নেই। বিশেষ করে মলদ্বীপের ঘটনার পরে আরও বেশি করে এমন একটি পরিকল্পনা নেওয়া নয়াদিল্লির জন্য বিশেষ প্রয়োজন ছিল।
প্রসঙ্গত, চিন দক্ষিণ চিন সাগর, প্রশান্ত মহাসাগরের পাশাপাশি ভারত মহাসাগরেও দাপাদাপি বাড়িয়ে ভারতের উপরে চাপ তৈরির খেলায় মেতেছে। কয়েকদিন আগে মলদ্বীপ ইস্যুতেও তাই হয়েছে। সেদেশের দ্বীপ দখল করে চিন সেনা ঘাঁটি তৈরি করে এই অঞ্চলে আধিপত্য বিস্তার করতে চাইছে। তারই ফল হিসাবে ফ্রান্সের সঙ্গে থেকে পাল্টা দিতে চাইছে নয়াদিল্লি।












Click it and Unblock the Notifications