পথকুকুরের কামড়ে মৃত্যু হলে রাজ্যকেই তার ক্ষতিপূরণ দিতে হতে পারে! কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের
ভবঘুরে কুকুরের কামড়ে কেউ আহত অথবা কেই নিহত হলে রাজ্য সরকারকে ক্ষতিপূরণ দিতে হতে পারে। হ্যাঁ, ঠিক এমনই কড়া সতর্কবার্তা দিল সুপ্রিম কোর্ট। আজ আদালত জানিয়েছে যে, প্রশাসন যদি এই বিষয়ে কার্যকর ভাবে কোনও পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে তার দায় রাজ্যের ঘাড়েই পড়বে।

এই মামলার শুনানিতে বিচারপতি বিক্রম নাথ স্পষ্ট বলেছেন যে, যারা রাস্তায় কুকুরদের খাওয়ান, তারাও এর দায় এড়াতে পারবেন না। তাঁর মন্তব্য যে, "কুকুরকে খাওয়াতে চাইলে নিজের বাড়িতে রাখুন। রাস্তায় ঘুরে বেড়িয়ে মানুষকে কামড়ানো অথবা ভয় দেখানোর অধিকার তাদের নেই।"
শুনানির সময় আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী বিষয়টিকে আবেগের প্রশ্ন বলে উল্লেখ করলে আদালত কটাক্ষ করে জানায় যে, "এখনও পর্যন্ত আবেগ শুধু কুকুরদের জন্যই দেখা যাচ্ছে।" যদিও মেনকা গুরুস্বামী পাল্টা বলেন যে, মানুষের নিরাপত্তা নিয়েও তিনি সমানভাবে চিন্তিত।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ৭ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন এবং খেলাধুলার মাঠ থেকে সমস্ত ভবঘুরে কুকুরকে সরিয়ে ফেলতে হবে। সেগুলিকে নির্দিষ্ট আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশও দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে বলা হয় যে, সরকারি এবং জনসমাগমস্থলে কুকুর ঢুকতে দেওয়া যাবে না এবং ধরা পড়া কুকুরকে আগের জায়গায় ছাড়াও যাবে না।
এর আগেও দিল্লি এবং তার সংলগ্ন এলাকায় ক্রমবর্ধমান কুকুরের কামড় এবং জলাতঙ্কে মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল শীর্ষ আদালত। আদালতের নির্দেশ অনুসারে, কুকুর আশ্রয় কেন্দ্রগুলিতে প্রশিক্ষিত কর্মী থাকতে হবে। যারা নির্বীজন এবং টিকাকরণ নিশ্চিত করবে এবং কুকুরদের আবার রাস্তায় ছেড়ে দেবে না।
তবে পরে এক শুনানিতে জানানো হয়েছিল যে, টিকাকরণ এবং নির্বীজনের পর কুকুরদের আগের এলাকায় ফেরানো যেতে পারে। যদিও আদালত স্পষ্ট করে দেয় যে, জলাতঙ্কে আক্রান্ত অথবা আক্রমণাত্মক কুকুরদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না।












Click it and Unblock the Notifications