নতুন সংসদ ভবন তৈরি করতে প্রাপ্ত খরচের থেকে ২৯ শতাংশ বাড়তি খরচ, অস্বস্তিতে কেন্দ্র সরকার
সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্প নিয়ে আবারও অস্বস্তি বাড়ল কেন্দ্রের
সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্প নিয়ে আবারও অস্বস্তি বাড়ল কেন্দ্রের। প্রকল্পের খরচ এক ধাক্কায় বাড়ল ২৯ শতাংশ। সূত্র মারফত জানা গিয়েছিল কেন্দ্রটি তৈরি করতে বাড়তি খরচ হতে পারে ২৮২ কোটি টাকা। ২০২০ সালে সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল। টাটা প্রকল্প কাজটির প্রায় ৪০ শতাংশ শেষ করেছে। ভিস্তার অধীনে নতুন সংসদ ভবন তৈরিতে ১ হাজার ২৫৯ কোটি টাকা খবর পড়বে বলে জানা গিয়েছে সূত্র মারফত।

সরকারি সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে রাষ্ট্রপতি ভবনের থেকে কিছুটা দূরে ১৩ একর জমির উপর ভিস্তা প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল। যার ৪০% কাজ শেষ করেছে টাটা প্রকল্প। ২০২২ সালের অক্টোবর মাসের মধ্যে প্রকল্পের পুরো কাজ শেষ করে ফেলতে চায় কেন্দ্র। পাশাপাশি তৈরি হবে নরেন্দ্র মোদীর থাকার জায়গা। সেই সঙ্গে তৈরি হবে নিরাপত্তা দলের হেডকোয়ার্টারও। নতুন সংসদ ভবন তৈরি করতে ৯৭৭ কোটি টাকা খরচ পড়বে বলে ২০২০ সালে জানিয়েছিল কেন্দ্র। কিন্তু বর্তমানে হিসাব অন্য কথা বলছে। যা টাকা ধরা হয়েছিল তার থেকে আরও ২৮২ কোটি টাকা বেশি খরচ হবে বলে জানা গিয়েছে। ২৯ শতাংশ বেশি খরচ হবে। কারণ, করোনা মহামারির জন্য জিনিসপত্রের মূল্য অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।
সংসদের সদস্যদের জন্য আধুনিক আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তি দরকার। আগে ব্রিটিশ আমলের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে চলার জন্য নানান অভাব দেখা দিচ্ছিল। তাই নতুন সংসদ ভবনের প্রয়োজন। তাঁরা জানান, ১৯২৭ সালে এটি তৈরি করা হয়েছিল।বসার জায়গা গুলি খুব ছোট। লোকসভা ও রাজ্যসভার হলগুলিতে বসার জায়গা খুব ছোট। ভবনটিতে অগ্নি নিরাপত্তার কোন ব্যবস্থা নেই। যদি যৌথ অধিবেশন চলে তখন লোকসংখ্যা হয় ১২২৪ জন। কিন্তু ভবনে ৮৮৮ জন সদস্যের আসন সংরক্ষণ আছে। তাতে খুব অসুবিধা হয়। রাজ্য সভার জায়গায় ৩৮৪ জন বসার জায়গা আছে। যদি ভবিষ্যতে এগুলির আসন বাড়ানো হয় তাহলে খুব ভালো হয়। পুরোপুরি ২০২৪ সালের মধ্যে ভবনের কাজ শেষ হয়ে যাবে আশা করা যাচ্ছে। প্রতিটি সংসদ সদস্যের ৪০ বর্গ মিটারে অফিস স্পেস থাকবে বলে জানা গেছে। নতুন যে ভবনটি তৈরি হচ্ছে তা ভারতের গৌরবময় ঐতিহ্যকে ধরে রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications