চালু হল টেলি মেডিসিনের পাইলট প্রজেক্ট, একাধিক ক্ষেত্রে উপকৃত হতে চলেছে মৎস্য সমবায় কেন্দ্রগুলি
চালু হল টেলি মেডিসিনের পাইলট প্রজেক্ট, একাধিক ক্ষেত্রে উপকৃত হতে চলেছে মৎস্য সমবায় কেন্দ্রগুলি
কেন্দ্রের একাধিক দফতরের যৌথ উদ্যোগে বিভিন্ন শাখায় টেলিমেডিসিন প্রক্রিয়ার শুভারম্ভ নিয়ে জল্পনা বাড়ছিল গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই। অবশেষে কেন্দ্রীয় মৎস্য, পশুপালন ও দুগ্ধ উৎপাদন মন্ত্রী পুরুষোত্তম রুপালা সোমবার টেলিমেডিসিন পরিষেবার একটি পাইলট প্রকল্প চালু করলেন। এই গোটা প্রজেক্টটিই বর্তমানে কেন্দ্রীয় সমবায় উন্নয়ন কর্পোরেশনের (এনসিডিসি) মাধ্যমে এআইএমএস রায়পুর দ্বারা পরিচালিত হবে বলে জানা যাচ্ছে।

গতি আসবে গোটা চিকিৎসা প্রক্রিয়াতেই
কেন্দ্রীয় সেক্টর ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রাম প্রধানের অধীনে মৎস্য সমবায় সদস্যদের জন্য মৎস্য সম্পদ যোজনার (PMMSY) আওতাতেই মূলত এই প্রোগ্রাম শুরু করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ছত্তিশগড়ের মৎস্য সমবায় সমিতির সদস্যরা এখন তাদের যেকোনও চিকিৎসা প্রয়োজনে এইমস(AIIMS) রায়পুরের ডাক্তারদের সাথে যে কোনও সময় পরামর্শ করতে পারবেন বলে খবর। এদিকে গতি আসবে গোটা চিকিৎসা প্রক্রিয়াতেই।

দেওয়া হল ৫০ লক্ষের চেক
এই পাইলট প্রকল্প শুরু করার জন্য এইমস(AIIMS) রায়পুরের পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডঃ নিতিন এম নগরকারের হাতে এদিন ৫০ লক্ষ টাকার চেক হস্তান্তর করেন পুরুষোত্তম রুপালা। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, \"এটি নিশ্চিত করবে যে ছত্তিশগড়ে মৎস্য সমবায় সদস্যদের যখনই চিকিৎসার প্রয়োজন হবে তথনই তারা যেন সেই সুবিধা পান। এই নয়া প্রজেক্টের ফলে এআইএমএ রায়পুরের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরাও এখন থেকে তাদের দূরবর্তী স্থান থেকে টেলিমেডিসিন সুবিধার মাধ্যমে যোগাযোগ করতে সক্ষম হবেন।

কী বলছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী
পুরুষোত্তম রুপালা আরও বলেন, \"আমাদের দেশে টেলিহেল্ট পরিষেবার অসাধারণ সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও বর্তমানে সিংহভাগ স্বাস্থ্যসেবাই শহুরে, শহর কেন্দ্রীক ব্যবস্থার মধ্যেই কেন্দ্রীভূত। গ্রাম এবং উপকূলীয় অঞ্চলের মতো প্রত্যন্ত অঞ্চল এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত। কিন্তু টেলিমেডিসিন প্রক্রিয়ার সফল বাস্তবায়নে খুলে যেতে পারে নয়া দিগন্ত।\" নরেন্দ্র মোদীর কল্পিত ডিজিটাল ইন্ডিয়া মিশনের স্বপ্নপূরণের লক্ষ্যকে আরও একধাপ এগিয়ে দেবে এই প্রকল্প, এমনটাই মত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর।

কোন কোন জায়গায় হবে পরিচালন কেন্দ্র
এই প্রসঙ্গে রীতিমতো উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, "মহামারী-প্রভাবিত বিশ্বে, টেলিহেলথ সহ প্রযুক্তি-সক্ষম পরিষেবাগুলি আগের চেয়ে আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। আমি এই টেলিমেডিসিন সুবিধাটি উদ্বোধন করতে পেরে আনন্দিত। এরফলে অনেকটাই উপকৃত হবে মৎস্য সমবায় সমিতিগুলি। আগামী তিন বছরের জন্য চলবে এই পাইলট প্রজেক্ট। বর্তমানে রাজ্যে পাঁচটি কেন্দ্র যথা পিএইচসি পাটান (দুর্গ জেলা), পিএইচসি সাজা (বেমেতারা), পিএইচসি রতনপুর (বিলাসপুর), পিএইচসি ধামতারী এবং এইমস রায়পুর থেকে এটি পরিচালনা হবে বলে জানা যাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications