বিল পাসের জন্য রাজ্যপালদের কোনও সময়সীমা বেঁধে দেওয়া যাবে না! জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট
সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, রাজ্যপাল অনির্দিষ্টকালের জন্য কোনোও বিল আটকে রাখতে পারবেন না। সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ প্রেসিডেন্সিয়াল রেফারেন্স মামলায় পরিষ্কার ভাবে জানিয়ে দিল যে, রাজ্যপাল যদি সেটার সম্মতি দিতে না পারেন তাহলে তা বিধানসভায় ফেরত পাঠাতে হবে। তবে সেই সঙ্গে আদালত এও জানিয়ে দিয়েছে যে, রাজ্যপাল অথবা রাষ্ট্রপতির জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হবে না। সেটা আদালতের কাজ নয়। কোনও সময়সীমা বাধ্যতামূলক ভাবে যদি চাপিয়ে দেওয়া হয় তাহলে তা ক্ষমতার বিভাগের মূল নীতিকেই আঘাত করবে।

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, বিধানসভায় পাশ হওয়া বিলে রাজ্যপালের সাক্ষর করার সময়সীমা বাঁধা নিয়ে সংবিধানের ১৪৩ ধারার অধীনে সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শ চেয়েছিলেন। আর আজ দেশের শীর্ষ আদালতের সাংবিধানিক বেঞ্চ সেই প্রেসিডেন্সিয়াল রেফারেন্স মামলার রায় ঘোষণা করল।
প্রেসিডেন্সিয়াল রেফারেন্স মামলার রায় ঘোষণায় প্রধান বিচারপতি বি আর গবাইয়ের নেতৃত্বের অধীনে বেঞ্চে ছিলেন বিচারপতি সুর্যকান্ত, বিক্রম নাথ, পি এস নারসিমহা ও এ এস চাঁদুরকর।
এ বছরের মে মাসে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সংবিধানের ১৪৩(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একটি রেফারেন্স পাঠিয়েছিলেন। সেখানে তিনি প্রশ্ন করেছিলেন যে, সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যপাল বা রাষ্ট্রপতিকে এভাবে কী নির্দেশ দিতে পারে? বিশেষত গত ১২ এপ্রিল তামিলনাড়ু সরকারের দায়ের করা একটি মামলার রায় ঘোষণা করতে গিয়ে সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যপাল ও রাষ্ট্রপতিকে তিন মাসের জন্য সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই যে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল সেই পরিপ্রেক্ষিতেই রাষ্ট্রপতি এই জিজ্ঞাস্য করেছিলেন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট পালটা জবাব দেয় যে, সংবিধানের ১৪২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুবিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আইনের ওপরে গিয়ে বিশেষ রায় দিতেই পারে শীর্ষ আদালত। কিন্তু সুপ্রিমকোর্টের সেই রায়ে আপত্তি জানান রাষ্ট্রপতি। রাজ্যপাল ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ব্যাখ্যা করার জন্য শীর্ষ আাদালতের সামনে ১৪টি প্রশ্ন পাঠিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি মুর্মু। যে কারণে সেই রায় পর্যালোচনা করার জন্য পাঁচ সদস্যের প্রেসিডেন্সিয়াল রেফারেন্স বেঞ্চ তৈরি হয়।
সুপ্রিম কোর্ট তার মতামত প্রকাশ করে বলেছে যে, বিল পেশ করানোর সময় একজন রাজ্যপালের তিনটি বিকল্প থাকে। সেগুলি হল সম্মতি দেওয়া, রাষ্ট্রপতির কাছে বিলটি পাঠানো, অথবা বিলটি আইনসভায় ফেরত পাঠানো। রাজ্যপালদের এই বিকল্পগুলি থেকে যেকোনো একটি বেছে নেওয়ার অধিকার রয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট আরও বলেছে, আদালত এই ধরনের সিদ্ধান্তের যোগ্যতা নিয়ে কোনও বিতর্কে জড়াতে পারে না।
পাঁচ সদস্যের ওই বেঞ্চ জানিয়ে দিল যে, বিলে যদি সম্মতি না দেওয়া হয় তাহলে সেই বিল বিধানসভায় ফেরত পাঠাতে হবে। রাজ্যপাল কোনওভাবেই বিল পাশের পথে বাধা হতে পারেন না।
-
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত -
দাগি নেতাদের নিরাপত্তা কাটছাঁট কতটা মানল পুলিশ? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন -
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ভোটের আগে তৃণমূলের দুই হেভিওয়েট নেতাকে ইডির তলব -
ভোটের আগেই কমিশনের কড়া নির্দেশ! অনুমতি ছাড়া জমায়েত নয়, নিয়ম ভাঙলেই গ্রেফতার, রাজ্যজুড়ে জারি কঠোর নির্দেশ -
এপ্রিলে শক্তিশালী ত্রিগ্রহী যোগ, শনি-সূর্য-মঙ্গলের বিরল মিলনে কাদের থাকতে হবে সতর্ক? -
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ! MRI Scan-এর খরচ আকাশছোঁয়া হতে পারে, বিপাকে পড়তে পারেন রোগীরা -
অমিত শাহের রাজ্যে থাকার ঘোষণায় তীব্র কটাক্ষ মমতার, বললেন, যত বেশি থাকবে, তত ভোট কমবে -
যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই বড় রদবদল! মার্কিন সেনা প্রধানকে সরাল ট্রাম্প প্রশাসন, কারণ কী, জল্পনা তুঙ্গে -
এপ্রিলেই বাড়ছে গরমের দাপট! আগামী সপ্তাহেই ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ার আশঙ্কা, কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস -
চিপকে হার চেন্নাই সুপার কিংসের, সহজেই জিতল শ্রেয়স আইয়ারের পাঞ্জাব কিংস -
আরও একটি মার্কিন F-35 যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি ইরানের, কী বলছে আমেরিকা?












Click it and Unblock the Notifications