নতুন পদ্ধতিতে নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ-স্থগিতাদেশে না! কেন্দ্রকে নোটিশ সুপ্রিম কোর্টের
নতুন নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের নতুন নিয়মে স্থগিতাদেশ চেয়ে করা আবেদন খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগের ২০২৩-এর আইনের সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে করা বেশ কিছু আবেদন জমা পড়ে সুপ্রিম কোর্ট। এব্যাপারে কেন্দ্রকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে প্রতিক্রিয়া জানাতে বলেছে সর্বোচ্চ আদালত।
আবেদনকারীরা মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের আইন ২০২৩-এর ধারা সাত-এর ওপরে স্থগিতাদেশ চেয়েছিলেন। এই ধারায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে বাছাইকারী প্যানেল থেকে দেশের প্রধান বিচারপতিকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচনের কয়েক সপ্তাহ আগে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের ওপরে স্থগিতাদেশ দিলে বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে বলেও মন্তব্য করা হয়েছে সর্বোচ্চ আদালতের তরফে। এদিন শুনানির সময় আদালতের পর্যবেক্ষণ, নতুন আইনের অধীনে বাছাই করা হলেও, নব নিযুক্ত নির্বাচন কমিশনার জ্যানেশ কুমার ও সুখবীর সিং সান্ধুর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ নেই।
সর্বোচ্চ আদালত বলেছে, তাদের ২০২৩-এর মার্চের রায়ে কোথাও বলা হয়নি নির্বাচন কমিশনে নিয়োগের প্যানেলে বিচার বিভাগ থেকে একজন করে সদস্য থাকতে হবে। ২০২৩ সালের রায়ে প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা ও প্রধান বিচারপতির প্যানেলের প্রস্তাব করা হয়েছিল। যা সংসদে আইন প্রণয়ন না হওয়া পর্যন্ত ছিল।
তবে দুই নির্বাচন কমিশনারের নিয়োগের জন্য গৃহীত পদ্ধতি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে প্রশ্ন করেছে শীর্ষ আদালত। নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে নির্বাচন কমিটিকে আরও সময় দেওয়া উচিত ছিল বলেও মনে করে সর্বোচ্চ আদালত।
প্রসঙ্গত ১৪ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশনার অনুপ পাণ্ডের অবসর এবং অপর নির্বাচন কমিশনার অরুণ গোয়েলের আকষ্মিক পদত্যাগের কারণে নির্বাচন কমিশনে দুই শূন্যপদ সামনে আসতেই সুপ্রিম কোর্টে আবেদনগুলি করা হয়েছিল।
আবেদনকারীরা যুক্তি দিয়েছিলেন, নিয়োগ পদ্ধতিতে থেকে দেশের প্রধান বিচারপতিকে বাদ দেওয়া শীর্ষ আদালতের ২০২৩-এর মার্চের রায়ের লঙ্ঘন। সেই সময় সুপ্রিম কোর্ট রায়ে বলেছিল, সংসদে আইন প্রণয়ন না হওয়া পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীস লোকসভার বিরোধী দলনেতা ও প্রধান বিচারপতির পরামর্শের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশনার সদস্যদের নিয়োগ করতে হবে।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনা ও অন্য নির্বাচন কমিশনার (নিযুক্তি, চাকরির শর্তাবলী ও অফিসের মেয়াদ) বিল ২০২৩, গত বছরে সংসদে পাশ হয়েছে এবং পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপতি অনুমোদন পেয়েছে। নতুন আইনে বলা হয়েছে, প্রধান বিচারপতির পরিবর্তে কেন্দ্রীয় সরকারের ক্যাবিনেটের এক মন্ত্রী এই বাছাই কমিটিতে থাকবেন। তিন সদস্যের কমিটিতে প্রধানমন্ত্রী ও একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিরোধী দলের নেতা থাকায় এর নিরপেক্ষতা নিয়ে সন্দেশ প্রকাশ করা হয় বিভিন্ন মহলে।
-
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত -
দাগি নেতাদের নিরাপত্তা কাটছাঁট কতটা মানল পুলিশ? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন -
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ভোটের আগে তৃণমূলের দুই হেভিওয়েট নেতাকে ইডির তলব -
ভোটের আগেই কমিশনের কড়া নির্দেশ! অনুমতি ছাড়া জমায়েত নয়, নিয়ম ভাঙলেই গ্রেফতার, রাজ্যজুড়ে জারি কঠোর নির্দেশ -
এপ্রিলে শক্তিশালী ত্রিগ্রহী যোগ, শনি-সূর্য-মঙ্গলের বিরল মিলনে কাদের থাকতে হবে সতর্ক? -
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ! MRI Scan-এর খরচ আকাশছোঁয়া হতে পারে, বিপাকে পড়তে পারেন রোগীরা -
অমিত শাহের রাজ্যে থাকার ঘোষণায় তীব্র কটাক্ষ মমতার, বললেন, যত বেশি থাকবে, তত ভোট কমবে -
যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই বড় রদবদল! মার্কিন সেনা প্রধানকে সরাল ট্রাম্প প্রশাসন, কারণ কী, জল্পনা তুঙ্গে -
এপ্রিলেই বাড়ছে গরমের দাপট! আগামী সপ্তাহেই ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ার আশঙ্কা, কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস -
চিপকে হার চেন্নাই সুপার কিংসের, সহজেই জিতল শ্রেয়স আইয়ারের পাঞ্জাব কিংস -
আরও একটি মার্কিন F-35 যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি ইরানের, কী বলছে আমেরিকা?












Click it and Unblock the Notifications