ধর্ষণে ১১ অভিযুক্তের মুক্তিকে চ্যালেঞ্জ, সুপ্রিমে খারিজ বিলকিস বানোর রিভিউ পিটিশন

গণধর্ষণ ও তার পরিবারকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত ১১ অভিযুক্তের মুক্তিকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে রিভিউ পিটিশন করেছিলেন বিলকিস বানো। কিন্তু বিলকিস বানোর সেই আবেদ খারিজ করে দিল শীর্ষ আদালত।

গণধর্ষণ ও তার পরিবারকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত ১১ অভিযুক্তের মুক্তিকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে রিভিউ পিটিশন করেছিলেন বিলকিস বানো। কিন্তু বিলকিস বানোর সেই আবেদ খারিজ করে দিল শীর্ষ আদালত।

গুজরাত নির্বাচনের আগে সরকার ১১ জন ধর্ষক-অভিযুক্তের মুক্তি দিয়েছিল। তা নিয়ে কম সমালোচনার হয়নি। গুজরাত নির্বাচনের পরে এই মর্মে রিভিউ পিটিশন দাখিল করেন বিলকিস বহানো স্বয়ং। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ায় তিনি ধাক্কা খেলেন সুপ্রিম কোর্টে।

১১ অভিযুক্তের মুক্তিকে চ্যালেঞ্জ, সুপ্রিমে খারিজ বিলকিস বানো

২০০২ সালে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছিল। এমনকী তাঁর পরিবারের সদস্যদের নৃস্ংশ হত্যা করা হয়েছিল। এই ঘটনায় দোষীসাব্যস্ত হয় ১১ অভিযুক্ত। তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশও দেওয়া হয়। কিন্তু তারপর তাঁরা কোনও অদৃশ্য কারণে মুক্তি পেয়ে যায়। তাদের সেই মুক্তিকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেছিলেন বিলকিস বানো।

সেই রিভিউ পিটিশন এদিন খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। এই মামলায় ২০০৮ সালে দোষীসাব্যস্ত হয় ১১ জন। গুজরাত সরকার তাদের ক্ষমা নীতির অধীনে তাদের মুক্তি দেয়। ১৫ অগা্স্ট তারা গঝধরা সাব জেল থেকে বেরিয়ে আসে। তাদের এই মুক্তিকে চ্যালেঞ্জ করে বিলকিস বানোকর আবেদনের প্রতিক্রিয়ায় গুজরাত সরকারের কী মত জানতে চেয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।

গুজরাত সরকার এই মর্মে হলফনামা দিয়ে জানায়, কোন আঙ্গিকে ১১ জন দোষীসাব্যস্তকে মুক্তি দেওয়া হয়। তাদের ভালো আচরণের জন্য ১৪ বছর জেল পূর্ণ করার পর মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। এই হলফানামা পেশের পর সুপ্রিম কোর্ট বিলকিস বানোর রিভিউ পিটিশন খারিজ করে দেয়।

সুপ্রিম কোর্ট ১৯৯২ সালের শাস্তি মকুবের নিয়ম প্রয়োগ করে মুক্তির অনুমোদন দিয়েছিল। সেই পরিপ্রেক্ষিতে বিলকিস বানো পিটিশনে লিখেছিলেন, ১১ জন সাজাপ্রাপ্ত আসামীকে এভাবে মুক্তি দেওয়া যায় না। তারপর মহারাষ্ট্রে রাজ্যের মকুব নীতিও মানা উচিত। কারণ শীর্ষ আদালত ২০০৪ সালে আমেদাবাদ মুম্বইয়ের একটি আদালতে বিচার স্থানান্তর করার নির্দেশ দিয়েছিল।

বিলকিস বানো বলেন, তিনি সমস্ত দোষীদের অকালমুক্তি সংক্রান্ত কাগজপত্র বা সম্পূর্ণ ফাইলের অনুরোধ জানিয়ে রাজ্য সরকারের কাছে গিয়েছিলেন। কিন্তু রাজ্য সরকারের তরফে কোনও সাহায্য আসেনি। অপরাধের বিচার হওয়ার পর ক্ষমা বা অকাল মুক্তির প্রক্রিয়া সম্পর্কে তারা কোনও ধারণা পায়নি। তারপরই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন বিলকিস বানো। কিন্তু সেখানেও আবেদবন খারিজ হয়ে গেল এদিন।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+