করোনাকালের পর কর্মসমিতির বৈঠকে বিজেপির লক্ষ্য রাজ্য-রাজ্যে শক্তিবৃদ্ধি

করোনাকালের পর কর্মসমিতির বৈঠকে বিজেপির লক্ষ্য রাজ্য-রাজ্যে শক্তিবৃদ্ধি

আর মাত্র ক'টা মাসের অপেক্ষা। তারপরই পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। জাতীয় রাজনীতি নিয়ে যাঁরা খোঁজ খবর রাখেন তাঁরা জানেন এই নির্বাচন আদতে মোদী সরকারের লিটমাস টেস্ট। কাজেই আগামী পরীক্ষার জন্য আদা জল খেয়ে নেমে পড়েছে বিজেপি। রবিবাসরীয় বৈঠকে এবার নিজেদের জন্য নতুন লক্ষ্য স্থির করল তারা।

করোনাকালের পর কর্মসমিতির বৈঠকে বিজেপির লক্ষ্য রাজ্য-রাজ্যে শক্তিবৃদ্ধি

যে সমস্ত রাজ্যগুলিতে এখনও ক্ষমতায় আসেনি, সেখানে প্রথমে জোর দিতে চাইছে বিজেপি। পার্টির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১০ লক্ষ ৪০ হাজার বুথ কমিটির তৈরির দিকে নজর দিচ্ছে তারা। অর্থাৎ একেবারে তৃণমূল স্তরে যাতে শীর্ষনেতৃত্বের বার্তা পৌঁছোতে পারে, তার বন্দোবস্ত করতে চাইছে দল। এই লক্ষ্য সম্পূর্ণ হওয়ার পর আগামীতে বুথস্তরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর 'মন কি বাত'এর বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে গেরুয়া শিবিরের।

কোভিড অতিমারি পর এই প্রথম জাতীয় স্তরের কার্যনির্বাহী বৈঠক হল বিজেপির৷ রবিবাসরীয় এই আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার মতো ব্যক্তিত্ব। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা প্রবীন বিজেপি নেতা ধর্মেন্দ্র প্রধান জানিয়েছেন, চলতি বছরের বড়দিনের আগেই বুথ কমিটি তৈরি করা হবে। পেজ কমিটি তৈরি হয়ে যাবে আগামী বছরের ৬ এপ্রিলের আগে। 'মন কি বাত'এর প্রতিষ্ঠানিকীকরণও হয়ে যাবে আগামী মে মাসের আগেই৷

উদ্বোধনী বক্তৃতাতে জেপি নাড্ডা বলেন, 'এখনও সেরা সময় আসেনি বিজেপির। কেরল, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, উড়িষ্যা এবং তেলেঙ্গানায় প্রভাব বিস্তার করা বাকি আছে। সাম্প্রতিককালে উপনির্বাচনে দেখা যাচ্ছে, টিআরএসকে সহজেই হারিয়েছে বিজেপি। যা কিনা দলের জন্য খুবই সন্তোষজনক।' ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, গুজরাটে পান্না প্রমুখ কমিটি তৈরি করে পরীক্ষা নীরিক্ষা করেছে বিজেপি। নির্বাচনের সময় যা কিনা লাভদায়ক হতে পারে দলের জন্য।

পশ্চিমবঙ্গ নিয়েও ভাবনাচিন্তা রয়েছে বিজেপির৷ একুশের বিধানসভা নির্বাচনে হারের পর বহু নেতা দল ছেড়েছেন, সংগঠন দুর্বল হয়েছে ঠিকই। তবে এখনই বিনা যুদ্ধে সূচাগ্র মেদিনী ছাড়তে চায় না গেরুয়া শিবির৷ বিজেপির কথায়, শাসকদলের সন্ত্রাস সত্ত্বেও তারা শক্ত পাথরের মতো দাঁড়িয়ে থাকতে চায়। ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, 'দলের সিদ্ধান্ত, আমরা গণতান্ত্রিকভাবে এই লড়াই লড়ব'।

প্রসঙ্গত, ২রা মের পর থেকেই অনেক কটি রাজ্যেই নতুন করে বিজেপি বিরোধিতা প্রাণ পেয়েছে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে প্রচুর নেতা তৃণমূলে ফিরে গিয়েছেন৷ অনেকে বিজেপি ছাড়ার কথাও বলেছেন৷ অন্য দিকে বঙ্গ-বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা তথাগত রায়ের সঙ্গে বাকযুদ্ধ চলছে দিলীপ ঘোষদের। দিল্লিতে বিজেপির এদিনের মিটিংয়ে এসব সমস্যা সমাধানের চেষ্টা হয়েছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা৷

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+