Saif Ali Khan Stabbed: সইফের উপর হামলায় বাংলা যোগ! থানেতে ধৃত মূল অভিযুক্ত পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা
Saif Ali Khan Stabbed: সইফ আলি খানের উপর হামলাকাণ্ডে অবশেষে গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত (Prime Accused)। রবিবার কাকভোরে মহারাষ্ট্রের থানে (Thane) থেকে মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে মুম্বই পুলিশ (Mumbai Police)। অভিযুক্তের নাম মহম্মদ আলিয়ান ওরফে বিজে। সে নিজের মুখেই অপরাধের কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গত ১৬ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সাতসকালে মুম্বইয়ের বাড়িতেই সইফকে পরপর ছুরির কোপ মারে অভিযুক্ত।
থানের কাসারভারাভালির হিরানান্দানি এসটেটের পেছনে জঙ্গল থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে মূল অভিযুক্তকে। পুলিশের চোখে ধুলো দিতে ছদ্মনাম (fake name) ব্যবহার করছিল অভিযুক্ত। পুলিশকে সে নিজের নাম বিজয় দাস জানায়। থানেতে একটি পানশালায় হাউসকিপিংয়ের কাজ করত সে। বান্দ্রার পুলিশ ও ক্রাইম ব্রাঞ্চের যৌথ অভিযানে গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তকে।

নির্মীয়মাণ হিরানান্দানি এসটেটে অভিযুক্তের লুকিয়ে থাকার খবর পেয়ে তল্লাশি চালাতে যায় পুলিশ। ঘন জঙ্গলে লুকিয়ে ছিল সে। দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজির পর পুলিশের জালে ধরা পড়ে সে। রবিবার অভিযুক্তকে আদালতে পেশ করা হবে। তাকে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে পুলিশ। মূল অভিযুক্তের কাছ থেকে আরও বড় তথ্য মিলতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মুম্বইয়ের খার থানায় বর্তমানে রাখা হয়েছে মূল অভিযুক্তকে।
ওই এসটেটের কাছে নির্মীয়মাণ মেট্রো স্টেশনের শ্রমিকদের থাকার জায়গায় গা ঢাকা দিয়েছিল মূল অভিযুক্ত। পুলিশ আরও জানিয়েছে, মূল অভিযুক্ত পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। তবে মূল অভিযুক্ত ভারতীয় নাকি বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ভুয়ো পরিচয়পত্র দিয়ে সে এখানে থাকছিল কি না তাও তদন্ত করে দেখা হবে। রবিবার সকাল ৯টায় এব্যাপারে সাংবাদিক বৈঠক করে বিস্তারিত জানাতে পারে মুম্বই পুলিশ।
এদিন মূল অভিযুক্তকে ধরার আগে সইফের বাড়িতে মূল অভিযুক্তের সিঁড়িতে ওঠার সিসিটিভি ফুটেজের পোস্টার মুম্বই-সহ আশেপাশের এলাকা ছড়িয়ে দেয় পুলিশ। ঘটনার পর দাদার রেলস্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজেও অভিযুক্তকে দেখা গিয়েছিল। এর আগে ছত্তীসগঢ়ের দুর্গ জেলায় জ্ঞানেশ্বরী এক্সপ্রেস থেকে বছর একত্রিশের আকাশ কৈলাস কানোজিয়া নামে এক সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করে মুম্বই পুলিশ।
মুম্বইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন সইফ আলি খান। চিকিৎসকদের টিম জানিয়েছে, দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছেন তারকা। ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে। আপাতত হাঁটতে পারছেন তিনি। অভিযোগপত্রে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার সাতসকালে সইফ ও করিনার ছোট ছেলে জেহ-এর ঘরে ঢুকে পড়ে আততায়ী। পরিচারিকা দেখতে পেয়ে তার সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়ান। ঘরে ছুটে আসেন সইফ করিনা। সইফ ওই আততায়ীকে বাধা দিলে তাঁকে পরপর ছুরির কোপ মারে অভিযুক্ত।












Click it and Unblock the Notifications