আশীর্বাদ এখন দিবাস্বপ্ন, এবার 'ঘর' ছাড়তে হবে রোহিঙ্গাদের

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর তাড়ায় ভারতে পালিয়ে আসার পর অনেকগুলি দিন কেটে গিয়েছে। আস্তে আস্তে ভারতকেই ঘর বলে ভারতে শুরু করেছিলেন এদেশে আসা রোহিঙ্গারা। সিএএ-র জেরে এবার সেই ভাবনাতেই ব্যাঘাত।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর তাড়ায় ভারতে পালিয়ে আসার পর অনেকগুলি দিন কেটে গিয়েছে। আস্তে আস্তে ভারতকেই ঘর বলে ভারতে শুরু করেছিলেন এদেশে আসা রোহিঙ্গারা। সিএএ-র জেরে এবার সেই ভাবনাতেই ব্যাঘাত। তবে তারা আর মিয়ানমারে ফিরে যাবেন না, স্পষ্ট জানিয়েছেন।

আশীর্বাদ এখন দিবাস্বপ্ন

আশীর্বাদ এখন দিবাস্বপ্ন

সেনাবাহিনীর তাড়ায় কোনও মতে সীমান্ত পার হয়েছিলেন। এরপর থেকে প্রত্যেক সকালে এদেশে আসা রোহিঙ্গারা ভাবতেন, এখানে আর কোনও ভয় নেই। বিষয়টিকে ওপর ওয়ালার আশীর্বাদ বলেও ভাবতে শুরু করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু সেই আশীর্বাদই এখন দিবা স্বপ্নে পরিণত হয়েছে। কারণ তাণরা ইতিমধ্যেই জানতে পেরেছেন, ভারতে চালু হয়েছে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন। সেই আইনে এদেশে তাঁদের ঠাঁই নেই।

পরিস্থিতি এখন আগের থেকে খারাপ

পরিস্থিতি এখন আগের থেকে খারাপ

এখন যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা আগের থেকে খারাপ বলেই মনে করছেন দিল্লিতে আশ্রয় নেওয়া রোগিঙ্গারা। ইতিমধ্যেই তাঁরা জানতে পেরে গিয়েছেন, এদেশের নাগরিকত্ব জুটবে না তাদের। এবার তাঁদের ধরে নিয়ে যেদেশ ছেড়ে চলে এসেছিলেন, সেই দেশে ফেরত পাঠানো হবে।

সামনে মৃত্যু পরোয়ানা

সামনে মৃত্যু পরোয়ানা

পরিস্থিতি এমনই যে, ভারত থেকে তাদের ঠেলে মিয়ানমারে পাঠিয়ে দিলে, তা এইসব মানুষগুলির কাছে মৃত্যু পরোয়ানার থেকে কোনও অংশে কম নয়। মিয়ানমারে সেনা অভিযানের পরে ভারতে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গার সংখ্যা কম করে ৪০ হাজারের মতো। তারা এদেশের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে থাকা শরণার্থী শিবিরগুলিতে থাকেন।

দিল্লিতে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা জানিয়েছেন, মিয়ানমারের নর্দার্ন রাখাইনের তুলাতুলি গ্রামে তাঁরা থাকতেন। কিন্তু এক রাতে সেনাবাহিনী গিয়ে তাঁদের ঘর পুড়িয়ে, পরিবারের একজনকে হত্যা করে। শাসানি দিয়ে যায় অন্যদের। এরপর এই মানুষগুলো পায়ে হেঁটে বাংলাদেশের কক্সবাজারে চলে যায়। সেখানে শ্রমিকের কাজ করার পর অন্যদের সঙ্গে ভারতে প্রবেশ করে।
দিল্লিতে থাকা রোহিঙ্গাদের অনেকেই রাষ্ট্রসংঘের দেওয়া শরণার্থী কার্ড হাতে পেয়েছেন।

১৯৮২ সাল থেকে নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত

১৯৮২ সাল থেকে নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত

রাখাইনে বুদ্ধিস্ট এবং মুসলিমদের মধ্যে সংঘর্ষের জেরে এইসব রোহিঙ্গাদের দেশ ছাড়া করা হয়েছে। বেশিরভাগই আশ্রয় নিয়েছেন বাংলাদেশে। কিছু চলে এসেছেন ভারতে। বুদ্ধিস্ট সংখ্যাগরিষ্ট মিয়ানমারে রোহিঙ্গারা নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত সেই ১৯৮২ সাল থেকে।

রাখাইনে বুদ্ধিস্ট এবং মুসলিমদের মধ্যে সংঘর্ষের জেরে এইসব রোহিঙ্গাদের দেশ ছাড়া করা হয়েছে। বেশিরভাগই আশ্রয় নিয়েছেন বাংলাদেশে। কিছু চলে এসেছেন ভারতে। বুদ্ধিস্ট সংখ্যাগরিষ্ট মিয়ানমারে রোহিঙ্গারা নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত সেই ১৯৮২ সাল থেকে।

রাখাইনে বুদ্ধিস্ট এবং মুসলিমদের মধ্যে সংঘর্ষের জেরে এইসব রোহিঙ্গাদের দেশ ছাড়া করা হয়েছে। বেশিরভাগই আশ্রয় নিয়েছেন বাংলাদেশে। কিছু চলে এসেছেন ভারতে। বুদ্ধিস্ট সংখ্যাগরিষ্ট মিয়ানমারে রোহিঙ্গারা নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত সেই ১৯৮২ সাল থেকে।

এমাসের শুরুতেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সংসদে বলেছিলেন রোহিঙ্গাদের কোনওভাবেই ভারতের নাগরিক হিসেবে গ্রহণ করা হবে না।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+