RG kar Hospital: গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় তদন্ত! সিবিআইকে নির্যাতিতার বাবা-মা'র উদ্বেগকে গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ
RG kar Hospital Case: আরজি করে ধর্ষণ করে খুনের মামলার শুনানি সঠিক পথেই! অন্তত তেমনটাই ইঙ্গিত সুপ্রিম কোর্টের। আজ মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের বিশেষ বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। শুনানির শুরুতেই স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আর তা পড়ে কার্যত সন্তোষ প্রকাশ করা হয়।
মামলার শুনানিতে (RG kar Hospital Case) প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, সিবিআই'য়ের তদন্ত রিপোর্ট পড়েছি। যে প্রশ্নগুলি শুনানিতে উঠে এসেছে সমস্ত কিছুর উত্তর দেওয়া হয়েছে। এমনকি কোনও তথ্য আড়ালের চেষ্টা করা হয়েছে কিনা সেটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এমনকি কেউ বাধা দিচ্ছে কিনা সেটাও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের।

এদিন সিবিআই রিপোর্ট দেখে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, তদন্ত একেবারে গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। এখন যদি রিপোর্ট প্রকাশ্যে আনা হয় তাহলে তদন্তে প্রভাব পড়তে পারে। আর তা জুনিয়র চিকিৎসক এবং অন্যান্যদের বোঝা উচিৎ বলে তাৎপর্যপূর্ণ পর্যবেক্ষণ।
শুধু তাই নয়, নির্যাতিতার পরিবারের উদ্বেগের যথেষ্ট কারণ আছে। আর সে বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলে সুপ্রিম কোর্ট। তবে এদিন সিবিআই'য়ের 'স্ট্যাটাস রিপোর্ট' দেখে যথেষ্ট উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এক্ষেত্রে নির্যাতিতার বাবা-মা সিবিআইকে যে চিঠি দিয়েছে তা গুরুত্ব দিয়ে দেখার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে চিকিৎসকরা একটি রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা বলেছে। তাও যাতে সিবিআই গুরুত্ব দিয়ে দেখে সেও নির্দেশ দিয়েছে এদিন প্রধান বিচারপতি।
এই প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের মন্তব্য, সিবিআই যে রিপোর্ট দিয়েছে তা উদ্বেগের। এমনকি রিপোর্ট দেখে তাঁরা চিন্তিত এবং বিচলিত বলেও পর্যবেক্ষণ। তবে আরজি কর ধর্ষণ মামলায় সিবিআইকে আরও একটু সময় দেওয়ার কথা বলে সুপ্রিম কোর্ট। এই বিষয়ে আদালত জানায়, সিবিআই তদন্তের শেষ পর্যায়ে ধীরে ধীরে এগোচ্ছে। ময়নাতদন্তের চালান, পদ্ধতির বিষয়ে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, তথ্য প্রমাণ নষ্ট সহ সবটাই দেখছে বলেও এদিন বলেন প্রধান বিচারপতি।
এদিন মামলার শুনানিতে আরও কয়েকটি বিষয় উঠে আসে।এদিন সিসিটিভি ফুটেজ দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলে সিবিআইয়ের আইনজীবী। ২৭ মিনিটের ফুটেজ কেন দেওয়া হল? বাকি ফুটেজ কোথায়? যদিও রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বল জানান, সাত থেকে আট ঘণ্টার ফুটেজ সিবিআইকে দেওয়া হয়। আর তা তাঁরা সই করে নিয়েছেন।
এমনকি কোনও ক্যামেরায় কত ফুটেজ দেওয়া হয়েছে তা জানান আইনজীবী। পাশাপাশি পেন ড্রাইভে ফুটেজ দেওয়ার কথাও বলা হয়। এছাড়াও নমুনা পরীক্ষা নিয়েও সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্ন তোলে সিবিআই। নির্যাতিতার জিন্স এবং অন্তর্বাস নেওয়া হয়নি সিজার লিস্টে।












Click it and Unblock the Notifications