RBI GDP Growth Projection: দেশের জিডিপি গ্রোথ ৬.৫ রাখল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক
RBI GDP Growth Projection: রেপোরেট অপরিবর্তিত রাখার পাশাপাশি জিডিপি গ্রোথও ঘোষণা করেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। ২০২৪ অর্থবর্ষে জিডিপি গ্রোথ ৬.৫ রেখেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচন। সেকারণেই নিয়ন্ত্রিত পরিসংখ্যানেই জি়ডিপি গ্রোথের কথা জানিয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এমনই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
দেশের আর্থিক পরিস্থিতি অনেকটাই উন্নত হয়েছে। করোনা ধাক্কা কািটয়ে উঠেছে দেশ। গত কয়েক মাসে মুদ্রাস্ফীতি চরম আকার নিলেও রিজার্ভ ব্যাঙ্ক রেপোরেট বাড়িয়ে সেই মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে এনেছে বলে জানিয়েছেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস। গত মঙ্গলবার থেকে বৈঠকে বসেছিলেন তাঁরা।

দেশের আর্থিক বৃদ্ধি নিয়ে করোনার পর থেকে তৎপর হয়েছিল যোগী সরকার। করোনার কারণে দেশের আর্থিক বৃদ্ধি তলানিতে এসে ঠেকেছিল। কার উপরে চরম মুদ্রাস্ফীতি। শেয়ারবাজারে লাগাতার ধস চরম সংকটে ফেলেছিল দেশের মানুষকে। সেই পরিস্থিতি থেকে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসতে পেরেছে যোগী সরকার।

গত কয়েক বছরে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য গতি পেয়েছে। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে এক বছরে ৫ বার রেপোরেট বাড়িয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। এতে মুদ্রাস্ফীতিতে অনেকটাই রাশ টানা গিয়েছে। দেশের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে গত তিন দিন ধরে বৈঠক করেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের মনিটারি পলিসি কমিটি। মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছিল বৈঠক।
বৃহস্পতিবার বৈঠক শেষে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস বার্তা দিয়েছেন যে ২০২৪ সালে জেের জিডিপি গ্রোথ ৬.৫ রাখা হয়েছে। অর্থাৎ তাঁর ইঙ্গিত ছিল দেশের অর্থনীতি এখন যথেষ্ট স্থিতিশীল। মুদ্রাস্ফীতিও নিয়ন্ত্রণে আনা গিয়েছে। সেকারণে রেপোরেট অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ঘোষণা পরেই চড়েছে শেয়ার বাজার। এক ধাক্কায় ২৫০ পয়েন্টের বেশি চড়েছে শেয়ার বাজার। একাধিক কোম্পানির শেয়ারের দাম চড়েছে। দেশের আর্থিক পরিস্থিতির কথা চিন্তা করেই এবার আর রেপোরেট বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়নি রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। রেপোরেট না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার নেপথ্যে কাজ করছে আর্থিক পরিস্থিতি।
এদিকে রেপোরেট না বাড়ানোয় মধ্যবিত্ত মানুষেক উপরে ঋণের বোঝা অনেকটাই কমবে। ইএমআইয়ের বাড়তি চাপ হবে না। বাড়ি-গাড়ি কেনার জন্য মোটা টাকা ইএমএই গুনতে হবে না। এবং রেপোরেট বাড়ানোর জন্য যে বাড়ির বাজারে ধাক্কা এসেছিল সেটা এবার গতি পাবে বলে মনে করছে অর্থনীতিকরা। সেই সঙ্গে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে ২০২৪-র লোকসভা নির্বাচনও রয়েছে বলে মনে করছে অর্থনীতিবিদরা।












Click it and Unblock the Notifications