মোদী ক্যাবিনেটের 'দলিত' মুখ রামবিলাস পাসোয়ান

হাওয়া কোনদিকে বইছে তা বিচার করতে কখনও একচুলও ভুল করেন না এই এলজেপি নেতা। আর তাই তো সঠিক সময়ে এনডিএ-তে যোগ দিয়ে ক্যাবিনেটে নিজের জায়গা পাকা করে নিয়েছেন পাসোয়ান। নয়া সরকারে দলিত সম্প্রদায়ের মুখ এখন পাসোয়ান।
বারবার রাজনীতির কূটবিদ্যায় সফল হলেও মাত্র একবারই ঠিক মতো চাল চালতে অসফল হয়েছিলেন পাসোয়ান। ২০০৯ সালে লালুপ্রসাদ যাদবের রাষ্ট্রীয় জনতা দলের সঙ্গে জোট বেধে কংগ্রেস হঠাওয়ের পরিকল্পনায় খুব একটা লাভ হয়নি পাসোয়ানের। এমনকি হাজিপুরের আসনটিও হারাতে হয়েছিল তাদের।
১৯৬৯ সালে বিহার বিধানসভা নির্বাচনে সংযুক্ত সোস্যালিস্ট পার্টির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্য়মেই নির্বাচনে লড়া শুরু পাসোয়ানের। এর পর খুব শীঘ্রই জাতীয় রাজনীতিতে চলে আসেন পাসোয়ান। এর পর একাধিক প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলেছেন।
এরপর সবাইকে চমকে দিয়ে আরজেডি এবং কংগ্রেসকে ব্রাত্য করে বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়েছিলেন পাসোয়ান। সেইবার তাঁর শক্ত ঘাঁটি হাজিপুর থেকে ২.২৫ লক্ষ ভোটের ব্যবধানে জয় পান পাসোয়ান। এইবার লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে নবম বার লোকসভায় যাওয়ার রেকর্ড গড়েছেন তিনি।
লোকসভা নির্বাচনে ১৯৭৭ সালে অভিষেক হয় পাসোয়ানের। ৪.২৪ লক্ষ ভোটের ভোটের ব্যবধানে জয় পান। আর এর ফলে গিনিস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে জায়গা করে নেন পাসোয়ান। ১৯৮৯ সালে পাসোয়ানেক জয়ের সেই ব্যবধান বাড়িয়ে ৫ লক্ষে পৌছে যায়।
২০০৯ সালে হাজিপুর থেকে হারার পর লোক জনশক্তি পার্টি প্রধান রামবিলাস পাসোয়ান ২০১০ সালে লালুপ্রসাদের সাহায্যে রাজ্যসভায় পৌছন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications