'ক্ষমা চাওয়া উচিৎ কেন্দ্রের' 'মোন' হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল নাগাল্যান্ডে
'ক্ষমা চাওয়া উচিৎ কেন্দ্রের' 'মোন' হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল নাগাল্যান্ডে
দেখতে দেখতে সপ্তাহ ঘুরেছে। কিন্তু এখনও উত্তপ্ত পূর্ব সীমান্ত। ডিসেম্বরের ৪ তারিখ সেনার হাতে নাগা বাসিন্দাদের মৃত্যুর সরগরম দেশের রাজনীতি। কেন্দ্রীয় সরকারের নিন্দায় সরব হয়েছে বিরোধীরা। এদিকে একের পর এক প্রতিবাদ মিছিল চলছে নাগাল্যান্ডেও। আর এবার সরাসরি কেন্দ্রের ক্ষমা চাওয়ার দাবি তুলে পথে নামলেন নাগারা।

৪ঠা ডিসেম্বরের ঘটনা
১ ডিসেম্বর থেকে নাগাল্যান্ডে শুরু হয়েছিল 'হর্নবিল' উতসব। কিন্তু তারই মধ্যে চলতি মাসের ৪ তারিখ নাগাল্যান্ডের 'মোন' এলাকায় সেনাবাহিনীর এলোপাথারি গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন ১৪ জন নিরীহ স্থানীয় বাসিন্দা। তাঁদের মধ্যে ১২জনই মোনের ওটিং গ্রামের বাসিন্দা। নাগা স্থানীয়দের 'জঙ্গি' বলে 'ভুল' করেছিল সেনা! তাই এই ঘটনা বলে অবশ্য মত একাংশের। কিন্তু কোনও রকম উস্কানি ছাড়াই সেনা অভিযানে দেশের সাধারণ নাগরিকের মর্মান্তিক মৃত্যু অস্বস্তিতে ফেলেছে কেন্দ্রকেও।

প্রতিবাদে সরব নাগারা
সেনার গুলিতে সাধারণ মানুষের জীবননাশ এবং এবিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিবৃতিকে সম্পূর্ণ 'মিথ্যে' বলে প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন নাগাল্যান্ডের অধিবাসীরা। শনিবার কোহিমায় অমিত শাহের কুশপুতুল দাহ করা হয়েছে। আর এবার ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ মিছিলে সামিল হলেন নাগাল্যান্ডের প্রভাবশালী উপজাতি সংগঠন 'কোনইয়াক ইউনিয়ন'-এর সদস্যরা। পাশাপাশি সুবিচারের দাবি জানিয়ে প্রতিবাদে সামিল হন সে রাজ্যের বহু স্থানীয় বাসিন্দারাও। এদিন মোনের তিজিটে কেন্দ্রের নিন্দায় বিক্ষোভ দেখানো হয়।

আফস্পা বাতিলের দাবি
সেনাবাহিনীর হাতে নিরীহ সাধারণ মানুষের মৃত্যুর পরেই উত্তরপূর্বে জারি করা আফস্পা বাতিলের দাবি আরও জোরদার হচ্ছে। ত্রিপুরা, মেঘালয় ও মিজোরাম বাদে উত্তরপূর্বের সবকটি রাজ্যেই পূর্ণ কিংবা আংশিকভাবে বলবত আছে আর্মড ফোর্সেস স্পেশাল পাওয়ার অ্যাক্ট বা আফস্পা। রাজ্যগুলির উপর সেনাবাহিনীর এই বিশেষ ক্ষমতা প্রত্যাহারের দাবিতে এর এগেও কয়েকবার মুখ খুলেছেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী থেকে নাগরিক ইউনিয়নের সদস্যরা। আর এই ঘটনার পর তা আরও জোরদার হল।

আফস্পা কী?
১৯৫৮ সালে সেনাবাহিনীকে বিশেষ ক্ষমতা দিয়ে জারি হয়েছিল আর্মড ফোর্সেস স্পেশাল পাওয়ার অ্যাক্ট। এই আইন অনুযায়ী দেশের জঙ্গি উপদ্রুত এলাকা হিসেবে ঘোষিত জায়গায় নাশকতা রুখতে স্বতঃস্ফূর্ত অভিযান চালাতে পারবে সেনাবাহিনী। আর তার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও অনুমতি লাগবেনা। আর কাশ্মীরের সঙ্গে উত্তরপূর্বের বেশ কটি রাজ্যেও জারি আছে এই আইন। আর এবার নাগাল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী নেফিউ রিও এই আইন প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। আর তাঁর সঙ্গে সুর মিলিয়েছেন মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রীও।
-
অসম বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: এনডিএ-র বিরাট জয়ের ইঙ্গিত নতুন জনমত সমীক্ষায় -
পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ! পানিহাটির সেক্টর অফিসার অতনু চক্রবর্তীকে সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন -
মমতার হেলিকপ্টারের সামনে উড়ল রহস্যময় ড্রোন, মালদহে উত্তেজনা -
ভবানীপুরে অশান্তির জেরে চার পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড নির্বাচন কমিশনের -
চিপকে হার চেন্নাই সুপার কিংসের, সহজেই জিতল শ্রেয়স আইয়ারের পাঞ্জাব কিংস -
বামফ্রন্টের ইস্তেহার প্রকাশ! বিনামূল্যে বিদ্যুৎ, প্রতি পরিবারে স্থায়ী চাকরি সহ একাধিক প্রতিশ্রুতির ঘোষণা বিমান বসুর -
সীমান্তের ওপার থেকে এবার কলকাতায় হামলার হুঁশিয়ারি পাকিস্তানি মন্ত্রী খোয়াজা আসিফের -
অসম বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: এনডিএ-র বিরাট জয়ের ইঙ্গিত নতুন জনমত সমীক্ষায় -
ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ চরমে, গত ২৪ ঘণ্টায় চারটি মার্কিন যুদ্ধবিমানে হামলা, নিখোঁজ চালক -
অধীর চৌধুরীর প্রচারে উত্তেজনা বহরমপুরে, কংগ্রেস-তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ -
খড়্গপুর সদরের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিলীপ ঘোষের, সঙ্গী শুভেন্দু অধিকারী -
'বাংলাকে বৃদ্ধাশ্রম বানাতে দেব না', বাংলার ক্রীড়া পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলে উন্নয়নের ডাক লিয়েন্ডার পেজের












Click it and Unblock the Notifications