Rajasthan Assembly Election 2023: রাজস্থানে বিদ্রোহীদের দাপাদাপি! বদলে যেতে পারে ক্ষমতার সমীকরণ
Rajasthan Assembly Election 2023: রাজস্থানে মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার তারিখ শেষ হয়েছে ৬ নভেম্বর। তারপরে অনেক আসনে লড়াই আকর্ষণীয় হয়ে ওঠেছে। অন্যদিকে রাজনৈতিক দলগুলি ভিতরে ভিতরে ভয়ও পাচ্ছে। কেননা এমন কিছু আসন রয়েছে, যেখানে বিদ্রোহীরা নির্দল হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছে। বিজেপি ও কংগ্রেসের এইসব বিদ্রোহীরা ভোটের সমীকরণকে বদলে দিতে পারেন বলে মনে করছে সেখানকার রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
এইসব বিদ্রোহীদের বেশিরভাগই প্রাক্তন বিধায়ক, প্রাক্তন মন্ত্রী কিংবা বর্তমান বিধায়ক। এবার টিকিট না পেয়ে তারা দলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে নির্দল হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। এখানেই শেষ নয় খান্ডেলা ও ঝোটওয়াড়ার মতো কিছু আসন রয়েছে, যেখানে কংগ্রেস কিংবা বিজেপির সভাগুলির চেয়ে বিদ্রোহীদের সভায় ভিড় হচ্ছে বেশি।

বিদ্রোহীদের সভায় ভিড় দেখে দুই দলই বিক্ষুব্ধদের শান্ত করার কাজ শুরু করেছে। মনোনয়ন প্রত্যাহারে রাজি না হলে, দল থেকে বহিষ্কারের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে এইসব বিদ্রোহী প্রার্থীদের। ত্রিশের বেশি আসনে এইসব বিদ্রোহীরা কংগ্রেস ও বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের রাতের ঘুম কার্যত কেড়ে নিয়েছেন। একনজরে দেখে নেওয়া যাক কয়েকজন বিদ্রোহী প্রার্থীকে এবং তাঁদের কেন্দ্রগুলিকে।
ঝোটওয়ারা আসন থেকে বিজেপির টিকিট না পেয়ে রাজ্যবর্ধন সিং রাঠোরের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন রাজপাল সিং শেখাওয়াত। অতীতে তিনি এই কেন্দ্র থেকে দুবার বিজেপির বিধায়ক হয়েছিলেন। বিজেপি সরকারের মন্ত্রীও ছিলেন তিনি। শেখাওয়াত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় এবার এই আসনে ত্রিমুখী লড়াই।
দিদওয়ানা আসনে বিজেপির টিকিট না পেয়ে দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্দল হিসেবে লড়াইয়ে নেমেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরাজের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ইউনুস খান। তিনিই ছিলেন রাজস্থানে বিজেপির প্রধান সংখ্যালঘু মুখ। তিনি দুবার এই আসন থেকেই বিধায়ক হয়েছিলেন এবং একবার মন্ত্রী ছিলেন।
শিব আসনে বিজেপির সরকারি প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্দল হিসেবে লড়াইয়ে সামিল হয়েছেন যুব নেতা রবীন্দ্র ভাটি। তাঁর সঙ্গে থাকা হাজার হাজার তরুণের ভিড় এই কেন্দ্রে বিজেপি ও কংগ্রেস উভয়ের উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
সিকারের খান্ডেলা আসনে বিজেপির সরকারি প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্দল হিসেবে লড়াইয়ে সামিল হয়েছেন বংশীধর বাজিয়া। এই আসন থেকে তিনিও দুবারের বিধায়ক এবং একবারের মন্ত্রী। এবার এই আসনে বিজেপি সুভাষ মিলকে প্রার্থী করেছে।
বারমের থেকে এবার নির্দল হিসেবে লড়াইয়ে সামিল হয়েছেন প্রিয়ঙ্কা চৌধুরী। ১৫ বছর দল করেছেন। কিন্তু ২০১৮-র পরে ২০২৩-এও দল প্রার্থী না করায় নির্দল হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নেন। এই আসনে এবার বিজেপির প্রার্থী দীপক কাদওয়াসারা।
বাসেরি আসন থেকে নির্দল হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন, খিলাড়ি লাল বৈরাভা। এই আসন থেকে কংগ্রেস এবার সঞ্জয় জাটবকে প্রার্থী করেছে। তারপরেই খিলাড়ি লাল বৈরাভা রাজ্য তফশিলি জাতি কমিশনের পদ থেকে পদত্যাগ করেন এবং নির্দল হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন।
এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন ২০১৮ সালের রাজস্থান বিধানসভা নির্বাচনে ১৩ জন নির্দল প্রার্থী জয়ী হয়েছিলেন। তাঁরা মোট ৯.৪৭ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন। সরকার গঠনে এইসব নির্দলরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications