কর্নাটকে সংখ্যালঘুদের সংরক্ষণ ভাগ করে দেওয়া হল লিঙ্গায়ত আর ভোক্কালিগাসের মধ্যে
সামনেই কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচন। লোকসভা নির্বাচনের আগে এই নির্বাচন বিজেপির কাছে রীতিমত প্রেস্টিজিয়াস ফাইট। এই অবস্থায় একেবারে কোমর বেঁধে নেমেছে বিজেপি। যদিও জায়গা ছাড়ছে না রাহুল গান্ধীও। ইতিমধ্যে একাধিক বড় ঘোষণা করেছেন তিনি।
এই অবস্থায় বড় পদক্ষেপ কর্নাটক সরকারের। কর্নাটকে সংখ্যালঘুদের সংরক্ষণ ভাগ করে দেওয়া হল লিঙ্গায়ত আর ভোক্কালিগাসের মধ্যে। যা যুগান্তকারী

বড় ঘোষণা কর্নাটক সরকারের
বিশ্লেষকরা বলছেন, কর্ণাটক বিধানসভা নির্বাচনের দিন যে কোনও সময়ে ঘোষণা করা হতে পারে। আর এর মধ্যেই বোম্মাই সরকার সংখ্যালঘুদের দেওয়া চার শতাংশ সংরক্ষণ বাতিল করে দেওয়ার ঘোষণা করলেন। শুধু তাই নয়, দুটি সম্প্রদায়কে তাদের সুবিধা দেওয়ার ঘোষণা করেছে। শুধু তগাই নয়, সংখ্যালঘুদের এখন অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল বিভাগের (EWS) আওতায় আনা হবে বলেও জানিয়েছে কর্নাটকের সরকার। আর এই সিদ্ধান্ত রীতিমত যুগান্তকারী বলেই মনে করা হচ্ছে।

কি জানাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী
আজ শনিবার একটি বৈঠকে বসেন মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই। আর সেই বৈঠক শেষেই সংখ্যালঘুদের জন্য চার শতাংশ সংরক্ষণ বাতিল করে লিঙ্গায়ত এবং ভোক্কালিগা সম্প্রদায়ের জন্য সংরক্ষণ বাড়ানোর ঘোষণা করেছেন। আর তা সমানভাগে ভাগ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, কর্ণাটকের ভোক্কালিগাস এবং লিঙ্গায়ত সম্প্রদায়ের যে কোটা রয়েছে এর সঙ্গেই তা যুক্ত করা হবে। এই বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ জানিয়েছেন, লিঙ্গায়ত সম্প্রদায়ের সংরক্ষণ পাঁচ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করে দেওয়া হবে। আর ভোক্কালিগাসের সংরক্ষণ চার শতাংশ থেকে ৬ শতাংশ করে দেওয়া হবে।

সমস্ত সম্প্রদায়ের মানুষই উপকৃত হবে
মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্তে সমস্ত সম্প্রদায়ের মানুষই উপকৃত হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে ভোটের আগে কর্ণাটক সরকারের এই সিদ্ধান্তে সমস্ত সম্প্রদায়ের মানুষই উপকৃত হবেন। পাশাপাশি সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ১০ শতাংশ EWS কোটা পুলে স্থানান্তর করা হবে। এই মুহূর্তে শ্রনি-২ তে আসেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়। কর্নাটক সরকারের এহেন সিদ্ধান্তের পর সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষকে EWS কোটার মানুষের সঙ্গে আসতে হবে। তবে EWS কোটাতে ব্রাহ্মণ, বৈশ্য, মুদলিয়র, জৈন সহ একাধিক সম্প্রদায় থেকে আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষ রয়েছেন।

কোমর বেঁধে নামছে বিজেপি
রাজনৈতিকমহলের মতে, সে রাজ্যের নির্বাচনে কংগ্রেস নাকি অনেকটাই এগিয়ে আছে। একাধিক ইস্যুতে বিজেপির উপর চাপ বেড়েছে। এই অবস্থায় সংখ্যালঘু তো বটেই, পিছিয়ে পড়া মানুষের মন পেতে বড় স্ট্রাইক সরকারের। মত বিশ্লেষকদের।












Click it and Unblock the Notifications