১৮ বছর কম বয়সী বাচ্চাদের করোনা চিকিৎসায় নয়া গাইডলাইন কেন্দ্রের! রইল বিস্তারিত
করোনার থার্ড ওয়েভে অনেক বেশি করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন বাচ্ছা এবং কিশোররা। আর তাঁদের চিকিৎসায় সম্প্রতি সরকার চিকিৎসা সংক্রান্ত গাইডলাইসে (Government New Guideline for Children Coronavirus Treatment) বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়ে
করোনার থার্ড ওয়েভে অনেক বেশি করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন বাচ্ছা এবং কিশোররা। আর তাঁদের চিকিৎসায় সম্প্রতি সরকার চিকিৎসা সংক্রান্ত গাইডলাইসে (Government New Guideline for Children Coronavirus Treatment) বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে।

বাচ্চাদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে সরকার স্পষ্ট করে দিয়েছে যে monoclonal antibody-এর কোনও ব্যবহার করা যাবে না। এছাড়াও আরও বেশ কিছু তথ্য দেওয়া হয়েছে নয়া গাইডলাইনসে।
monoclonal antibody-ইঞ্জিকশন দেওয়া যাবে না
সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত ব্যক্তিকে অনেক সময়েই monoclonal antibody-ইঞ্জিকশন দেওয়া হচ্ছে। টেস্ট পজিটিভ আসার প্রথম দিনেই এই ইঞ্জিকেশন দেওয়া হচ্ছে। তাতে দ্রুত করোনা আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়ে উঠলেও এই চিকিৎসা নিয়ে একটা বিতর্ক রয়েছে। শুধু তাই নয়, অনেক খরচ সাপেক্ষও। সরকারের নয়া গাইডলাইনে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে যে বাচ্ছা কিংবা কিশোরদের ক্ষেত্রে এই চিকিৎসা একেবারেই করা যাবে না।
স্টেরোয়েড নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে-
এছাড়াও বাচ্চাদের steroid-এর ব্যবহার করার সময়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ সরকারের গাইডলাইন্সে। গাইডলাইন অনুযায়ী বাচ্চাকে যদি কোনও ভাবে steroid যদি দেওয়া হয় তাহলে ১০ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে কমাতে কমাতে বন্ধ করে দেওয়া উচিৎ বলে স্পষ্ট জানানো হয়েছে।
কীভাবে বাচ্চাদের চিকিৎসা করা যাবে-
হোম আইসোলেশনে থাকা বাচ্ছাদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে কোনও ওষুধ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এমনটাই জানাচ্ছে গাইডলাইন্স। ওই সময়ে বাচ্চাকে তরল পদার্থ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এমনকি হাসপাতালে থাকাকালীন বাচ্ছাকেও বেশি করে তরল দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে নয়া গাইডলাইনে।
অসুস্থ অবস্থায় paracetamol দেওয়ার কথা
এমন বাচ্ছা যার মধ্যে করোনা ভাইরাসের হালকা লক্ষ্মণ রয়েছে, তাঁদের অসুস্থতার সময়ে paracetamol দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এই অবস্থায় চার থেকে ছয় ঘন্টায় জরুরি প্রয়োজনে এই ওষুধ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। যদি বাছার পরীক্ষা করার পর bacterial infection কিছু যদি বের হয় তাহলে অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
এমন বাচ্ছা যাদের ঘরে থাকাকালীন অস্কিজেন স্যাচুরেশন ৯৪ -এর থেকে কম হয়ে যায়, হৃদকম্পন যদি হঠাত প্রবল মাত্রায় বেড়ে যায়, নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস যদি বেড়ে যায় তাহলে সেই বাচ্চাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।
হাসপাতালে ভর্তি বাচ্ছার টেস্ট করাতে হবে-
যে সমস্ত বাচ্চা করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে কিন্তু কোনও ভাবে শারীরিক উন্নতি হচ্ছে না। সেক্ষেত্রে Complete blood count infection-এর বিষয়ে জানতে BC, ESR, BLOOD GLUCOSE-এর পরীক্ষা করার কথা বলা হয়েছে। এছাড়াও বুকের এক্সরে করে দেখারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে নয়া গাইডলাইনে।
যদি কোনও বাচ্ছার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে কিংবা আইসিউ-তে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন হলে এই সমস্ত টেস্ট ছাড়াও দ্রুত CRP, LFT, KFT, SERUM FERETIN, D-DIMER-এগুলি করার প্রয়োজন রয়েছে বলেও নয়া গাইডলাইনে বলা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications