নেপাল-ভারত সীমান্তে চেকপোস্ট উদ্বোধনে থাকবেন মোদী-ওলি, উঠতে পারে কালাপানি প্রসঙ্গ
ভারত-নেপাল সীমান্তের যোগবাণী-বিরাটহাট সীমান্তে বসানো হচ্ছে নতুন চেকপোস্ট। মূলত দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতেই এই পদক্ষেপ। মঙ্গলবার এই চেকপোস্ট উদ্বোধনে উপস্থিত থাকবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি৷ ভারত ও নেপালের মধ্যে বাণিজ্যের পাশাপাশি কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও মজবুত করতেও উদ্যোগী দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী৷

ভারত-নেপাল সীমান্তে দ্বিতীয় ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট
প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে সোমবার রাতেই এই বিষয়ে একটি টুইট করা হয়। তাতেই জানানো হয়, এই চেকপোস্টের উদ্বোধনের কথা৷ ভারত-নেপাল সীমান্তে এটি হতে চলেছে দ্বিতীয় ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট৷ প্রথমটি বানানো হয় ২০১৮ সালে রক্সৌল-বীরগঞ্জ সীমান্তে৷

কালাপানি বিতর্ক
এদিকে বাণিজ্য ছাড়াও দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর এই সাক্ষাৎকালে উঠে আসতে পারে কালাপানি প্রসঙ্গ। এর আগে নেপালের প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন যে কালাপানি এলাকা থেকে অবিলম্বে ভারতীকে সৈন্য প্রত্যাহার করা হোক। কালি নদীজুড়ে ভারতের সাথে নেপালের পশ্চিম সীমান্ত প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮১৬ সালের চুক্তির ভিত্তিতে। তবে নদীটির উৎস কোথায় তা নিয়ে দুই দেশের মতবিরোধ থেকে সীমান্ত বিতর্কের সৃষ্টি হয়।

মানচিত্রে বিরোধপূর্ণ কালাপানি এলাকা নিয়ে নেপালের আপত্তি
গতবছরের ৩১ অক্টোবর আনুষ্ঠানিক ভাবে পুনর্গঠনের মাধ্যমে পৃথক কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ। এরপরেই সরকারের তরফে প্রকাশ করা হয় ভারতের নতুন রাজনৈতিক মানচিত্র। কিন্তু ভারত নতুন যে মানচিত্র প্রকাশ করেছে, তাতে আপত্তি জানিয়েছে নেপাল। ওই মানচিত্রে বিরোধপূর্ণ কালাপানি এলাকাকে দিল্লি ভারতের সীমানার ভিতরে দেখানোয় ওঠে আপত্তি।

কাঠমান্ডুর দাবি
ভারতের প্রকাশিত এই মানচিত্রের বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে কাঠমান্ডুর দাবি, এই এলাকাটি নেপালের। এই এলাকাটি নিয়ে নেপাল ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলছে। প্রায় পঞ্চাশ বছর আগে ওই এলাকায় ভারতীয় সৈন্য মোতায়েনের পর থেকেই আপত্তি করে আসছে নেপাল।












Click it and Unblock the Notifications