প্রধানমন্ত্রীর পাঠশালা : জিএসটি নিয়ে সাংসদদের প্রতিদিন ১ ঘন্টা করে বিশেষ প্রশিক্ষণ!
নয়াদিল্লি, ৯ ডিসেম্বর : আগামী সোমবার জিএসটি বিল (গুডস অ্যান্ড সার্ভিস ট্যাক্স বিল) নিয়ে সংসদে ৪ ঘন্টার আলোচনা সময় রেখেছে সরকার। কিন্তু এই আলোচনার আগে সাংসদদের জিএসটি বিল প্রসঙ্গে একেবারে তৈরি করে সংসদে পাঠাতে চান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর তাই সপ্তাহের যে পাঁচদিন আর হাতে আছে তাতে এই বিল নিয়ে সাংসদদের রীতিমতো ১ ঘন্টা করে ক্লাস নেওয়া হচ্ছে।
আলোচনায় যাতে অতিরিক্ত যুক্তি-তর্ক দিয়ে সাংসদরা কথা বলতে পারেন, তার জন্য লোকসভার অধ্যক্ষ সুমিত্রা মহাজনের সহায়তায় নিয়ে লোকসভা ও রাজ্যসভার সমস্ত সাংসদদের 'শিক্ষিত' করতে নিয়মমাফিক এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। লোকসভা ভোটের পর তৃণমূলে নবনির্বাচিত সাংসদদের জন্য এমনই একটি পাঠশালার আয়োজন করেছিল তৃণমূল কংগ্রেসও।

জিএসটি কী? এর সুবিধা কি কি, কীভাবে অর্থনীতিকে এই বিলের অবদান থাকছে, সবকিছু শেখানো হবে এই প্রশিক্ষণে। প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য জনপ্রিয় কর বিশেষজ্ঞ, অর্থনীতিবিদ ও সরকারি আধিকারিকদের নিয়ে আসা হয়েছে।
সংবিধানে সংশোধনী বিল আনার জন্য রাজ্যসভা ও লোকসভা উভয়কক্ষেই সরকারের দুই তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতা থাকা আবশ্যক। তাছাড়া যে কটি রাজ্য আছে তাদের মধ্যে অর্ধেকের সমর্থন প্রয়োজন। যদিও এখনও এই প্রস্তাব রাজ্যসভায় আনা বাকি আছে।
ন্যাশনাল হেরাল্ড ইস্যুতে উত্তপ্ত লোকসভায়, সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে দেয় কংগ্রেস। আর এর জেরেই জিএসটি আলোচনা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। মঙ্গলবার লোকসভায় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি বলেন কংগ্রেসের উচিত এই বিলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ায় সাহায্য করা, কারণ, প্রথমে ইউপিএ সরকারই এই উদ্যোগ নিয়েছিল।
উল্লেখ্য, এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কংগ্রেস সভাপতি সোনিয়া গান্ধী ও তাঁর পূর্বসুরী মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করে জিএসটি নিয়ে জটিলতা ভাঙার চেষ্টা করেছিলেন এবং বিলে কী কী বদল আনা উচিত তা নিয়ে বিরোধীদের পরামর্শও নিয়েছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications