রাতভর বিবিসির দফতরে তল্লাশি, কর্মীদের বাইরে মুখ খুলতে নিষেধ আধিকারীকদের
বিবিসির দফতরের কর্মীদের ল্যাপটপ স্ক্যান করলেন আইটি দফতরের কর্মীরা
গতকাল দুপুর থেকে শুরু হয়েছিল মুম্বই এবং দিল্লির বিবিসির দফতরে তল্লাশি। রাতভর তা জারি থাকল। যদিও ৬ ঘণ্টা পরে কর্মীদের বাইরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। তবে তাঁদের ল্যাপটপ স্ক্যান করা হয়েছে। এবং এই নিয়ে বাইরে এবং সংবাদ মাধ্যমে মুখ খুলতে নিষেধ করা হয়েছে। এদিকে এই নিয়ে চরমে উঠেছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।

রাতভর বিবিসির দফতরে তল্লাশি
সকাল থেকে শুরু হওয়া তল্লাশি অভিযান রাতভর চলল। তবে কর্মীদের রাতভর আটকে রাখা হয়নি। তাঁদের ৬ ঘণ্টা পর অফিস থেকে বেরোনোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে তাঁদের সতর্ক করা হয়েছে যে এই তল্লাশি অভিযান নিয়ে যেন বাইরে বা অন্য কোনও সংবাদ মাধ্যমে কোনও রকম মন্তব্য কেউ না করেন। রাতভর বিবিসির মুম্বই এবং দিল্লির অফিসে একাধিক নথি খতিয়ে দেখেছেন তদন্তকারীরা। সেই সঙ্গে কর্মীদের ল্যাপটপও স্ক্যান করা হয়েছে বলে খবর। প্রথমে কর্মীদের মোবাইল পর্যন্ত বাজেয়াপ্ত করে নিয়েছিলেন আয়কর দফতরের কর্মীরা পরে অবশ্য তাঁদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ল্যাপটপ বাজেয়াপ্ত
রাতভর তল্লাশি চালিয়ে বিবিসির মুম্বই এবং দিল্লির দফতরের সব কম্পিউটার খতিয়ে দেখেছে তদন্তকারী অফিসাররা। এমনকী কর্মীদের ল্যাপটপও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সেই ল্যাপটপ স্ক্যান করা হয়েছ। গতকাল তল্লাশি অভিযান শুরুর পরেই কর্মীদের মোবাইল নিয়ে নেওয়া হয়েছিল। কাউকে অফিসের বাইরে বেরোতে দেওয়া হয়নি। যদিও ৬ ঘণ্টা পর তাঁদের বেরনোর অনুমতি দেওয়া হয়। তল্লাশি চলাকালীন বিবিসির দফতর ঘিরে রেখেছিল পুলিশ।

কর্মীদের সতর্ক করলেন অফিসাররা
বিবিসির দফতরে তল্লাশি নিেয় দফতরের কোনও কর্মী যাতে মুখ না খোলেন তার জন্য সতর্ক করা হয়েছে। এমনকী কর্মীদের এই নিয়ে কোনও সংবাদ মাধ্যমেও তথ্য প্রকাশ করতে নিষেধ করেছে তদন্তকারী সংস্থা। প্রধানমন্ত্রী মোদীকে নিয়ে তথ্যচিত্র তৈরি করার জেরেই বিবিসির দফতরে এই তল্লাশি বলে মনে করা হচ্ছে। এই নিয়ে উত্তাল রাজনৈতিক মহল। হতকাল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে অঘোষিত জরুরি অবস্থা জারি করেছে মোদী সরকার। এবার হয়তো টার্গেট করা হতে পারে আদানিদের দুর্নীতির কীর্তি ফাঁসকারী সংস্থা হিন্ডেনবার্গকে।

দুর্নীতিগ্রস্ত সংস্থা
এদিকে বিবিসির দফতরে আয়কর হানা নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেই বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে সবচেয়ে দুর্নীতি গ্রস্ত সংস্থা বিবিসি। একাধিক দুর্নীতি হয়ে থাকে সংবাদ পরিবেশনের নাম করে। বিবিসির দফতরে আয়কর হানা নিয়ে অবশ্য ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে কোনও তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। আগেই অবশ্যে ব্রিটেন জানিয়ে দিয়েছিল মোদীকে নিয়ে যে তথ্যচিত্র বিবিসি তৈরি করেছে তার সঙ্গে সরকারের কোনও সম্পর্ক নেই। এটা সরকারের ভাবনা চিন্তা প্রসূত নয়।












Click it and Unblock the Notifications