Opposition Meet: রাহুলের ভারত জোড়ো যাত্রার মাহাত্ম্যেই দেশকে এক করার বার্তা নীতীশদের
রাহুল গান্ধী সম্প্রতি ভারত জোড়ো যাত্রা সম্পন্ন করেছেন। রাহুল তাঁর ভারত পরিক্রমায় এক সূত্রে জুড়েছেন কন্যাকুমারী থেকে কাশ্মীরকে। সেই মাহাত্ম্যেই দেশের মানুষকে এক হওয়ার বার্তা দিলেন নীতীশ কুমার। মল্লিকার্জুন খাড়গে-সহ বিজেপি-বিরোধী দলগুলিও সরব কাঁধে কাঁধ মেলালেন ইউনাইটেড ইন্ডিয়া গড়তে।
শুক্রবার পাটনায় জোট বৈঠক শেষে নীতীশ কুমার-রা বলেন, রাহুল গান্ধী ইতিমধ্যেই ভারত জোড়ো যাত্রা করেছেন। এবার আমরা সকলে মিলে আগামীদিনে গোটা ভারতকে একত্রিত করব। দেশের জন্য জোট গড়ব। এদিন রাহুলকে পাশে বসিয়েই এই মন্তব্য নীতীশ কুমার-মল্লিকার্জুন খাড়গের। অদূরে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

সবাই এক সুরেই বলেন, আমরা একসঙ্গে চলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগামী দিনে ফের বৈঠক হবে। এবার বৈঠক হবে মল্লিকার্জুন খাড়গের নেতৃত্বে। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হবে নির্বাচনে কে, কোথায়, কীভাবে লড়বেন। এই সিদ্ধান্তই প্রমাণ, সবাই কংগ্রেসের নেতৃত্বেই জোটে শামিল হতে তৈরি।
এদিনের বৈঠকে সবাই বলেন, দেশের ভালোর জন্যই একসঙ্গে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা। কারণ দেশের ইতিহাসকে বদলানোর চেষ্টা করছেন নরেন্দ্র মোদী। তাই আমরা নির্বাচনের একটি নির্দিষ্ট অ্যাজেন্ডা তৈরি করছি। আগামী ১২ জুলাই সিমলায় আগামী বৈঠকের সম্ভাবনা।
এদিন জোটের আহ্বায়ক নীতীশ কুমার জানান, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, হরিয়ানা ও কাশ্মীর সব স্থানের পরিস্থিতি দেখে সমঝোতা হবে। ২০২৪ সালে কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী একত্রে পথ চলবে, এটাই এদিনের বৈঠকের সারবস্তু। প্রতিটি রাজনৈতিক দলই এদিনের বৈঠকে আশার আলো দেখছে।

বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের জন্য বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য প্রধান বিরোধী নেতাদের এক জায়গায় এনেছেন। তিনি এনডিএ ছাড়ার পর থেকেই বিরোধী সমস্ত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করে বুঝিয়েছেন সবার এক হওয়ার প্রয়োজনীয়তা।
একমাত্র লক্ষ্য নিয়ে গত কয়েক মাস ধরে দেশজুড়ে তিনি জাতীয় কংগ্রেস থেকে শুরু করে দেশে ছড়িয়ে ছিয়ে থাকা সমস্ত আঞ্চলিক দলের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। মিশন ২০২৪-এ বিরোধী ঐক্য গড়তে তাকে দিল্লি, পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ডে ছুটেছেন। তার ফল পাটনার জোট বৈঠক।

এই জোট বৈঠক থেকেই বিজেপির বিরুদ্ধে এককাট্টা লড়াই উপস্থাপিত করার শপথ নিয়েছেন সবাই। শুধু একটাই খটকা রয়ে গিয়েছে এই বৈঠকে। মসৃণভাবে চলা বৈঠক থেকে আম আদমি পার্টি নিজেদেরকে সরিয়ে নেয়। কগ্রেসের সঙ্গে অর্ডিন্যান্স বিতর্কে তারা জানিয়ে দেয়, কংগ্রেস বিজেপির বিরুদ্ধে এই ইস্যুতে অবস্থান স্পষ্ট না করলে সিমলায় দ্বিতীয় বৈঠকে তাঁরা থাকবেন না।












Click it and Unblock the Notifications