রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী পদের অন্যতম দাবিদার! টিম রাহুলের সদস্য, তরুণ তুর্কি সচিন
রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী পদে অন্যতম দাবিদার তরুণ তুর্কি সচিন পাইলট। বছর ৪১-এর এই নেতা টিম রাহুলের সদস্য। তিনি রাজস্থান প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতিওষ পূর্বতন, ১৫ তম লোকসভার সদস্যও ছিলেন তিনি।
রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী পদে অন্যতম দাবিদার তরুণ তুর্কি সচিন পাইলট। বছর ৪১-এর এই নেতা টিম রাহুলের সদস্য। তিনি রাজস্থান প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতিওষ পূর্বতন, ১৫ তম লোকসভার সদস্যও ছিলেন তিনি। বাবা প্রয়াত রাজেশ পাইলট আার শ্বশুর হলেন জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লা।

সচিনের শৈশব
উত্তর প্রদেশের সাহারানপুরের গুজ্জর পরিবারে জন্ম সচিনের। বাবা রাজেশ পাইলট এবং মা রমা পাইলট। উত্তর প্রদেশের নয়দার বৈদপুরার পুরনো বাসিন্দারা এই পরিবার। ভারতীয় বিমান বাহিনীর ভাল ভারতী স্কুলে পড়াশোনা। দিল্লির সেন্ট স্টিফেন কলেজ থেকে স্নাতক। আইএমটি গাজিয়াবাদ থেকে মার্কেটিং-এ ডিপ্লোমা করেছিলেন তিনি। এরপর পেনসিলভেনিয়ার ওয়ার্টন স্কুল থেকে এমবিএ করেন। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, তিনি কাজ করেছেন বিবিসির দিল্লি ব্যুরোতেও।
জেনারেল মোটরস-এও কাজ করেছেন বছর দুয়েক।

পরিবার
২০০৪-এর ১৫ জানুয়ারি বিয়ে করেন সারা আবদুল্লাকে। সারা হলেন জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ফারুক আবদুল্লার কন্যা। তাঁদের দুই সন্তান আরান ও বেহান। থাকেন গাজিয়াবাদে।

রাজনীতি
কংগ্রেস নেতা তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজেশ পাইলটের ছেলে। পাইলট স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের লোকসভার স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য ছিলেন। এছাড়াও অসামরিক বিমান পরিবহণমন্ত্রকের কনসালটেটিভ কমিটিরও সদস্য ছিলেন।
২০০৯ সালে রাজস্থানের আজমেড় আসনে বিজেপির কিরণ মাহেশ্বরীকে প্রায় ৭৬ হাজার ভোটে হারিয়ে দেন। তবে ২০১৪-র নির্বাচনে সেই আজমেড় থেকে বিজেপি প্রার্থীর কাছে ১,৭১,৯৮৩ হেরে যান তিনি। ২০১৮-র বিধানসভা নির্বাচনে রাজস্থানে টঙ্ক আসন থেকে জয়ী হয়েছেন।

সেনাবাহিনীতে
টেরিটোরিয়াল আর্মিতে অফিসার হয়েছিলেন ২০১২ সালে ৬ সেপ্টেম্বর। প্রথম কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে সচিন পাইলটকে এই সম্মান দেওয়া হয়েছিল। ইচ্ছা ছিল বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করে সেনাবাহিনীতে কাজ করবেন।

যেখান থেকে পদবি 'পাইলট'
বাবার নাম রাজেশ পাইলট। বিশিষ্ট কংগ্রেস নেতা। রাজীব গান্ধীর তথা গান্ধী পরিবারের কাছের লোক। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও ছিলেন তিনি। তাঁর আসল নাম ছিল রাজেশ্বর প্রসাদ সিং বিধুরি। রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার আগে ভারতীয় বায়ুসেনার পাইলট ছিলেন তিনি। ছিলেন স্কোয়াড্রন লিডার। সেই থেকেই নামের পদবি অংশে পাইলট জুড়ে দেন রাজেশ্বর। ১৯৮০ সালের লোকসভা নির্বাচনে রাজস্থানের ভরতপুর আসন থেকে জয়ী হয়েছিলেন তিনি। পরবর্তী সময়ে কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচনে সীতারাম কেশরীর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে
পরাজিত হয়েছিল। ২০০০-এের ১১ জুন রাজস্থানের জয়পুরে গাড়ি দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় তাঁর।












Click it and Unblock the Notifications