দিল্লিতে হেরে ‘জনতা মালিক হ্যায়’ আর্তি, দুই ‘ঘুঁটি’ খুইয়ে নিজের রাজ্যে চাপে নীতীশ
দিল্লিতে হেরে ‘জনতা মালিক হ্যায়’ আর্তি, দুই ‘ঘুঁটি’ খুইয়ে নিজের রাজ্যে চাপে নীতীশ
দিল্লির বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি, জেডিইউ এবং এলজেপির জোটকে মাটি ধরিয়ে ছেড়েছে আম আদমি পার্টি। এ প্রসঙ্গে জেডিইউ প্রধান তথা বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার তাঁর প্রতিক্রিয়া জানালেন, "জনতা মালিক হ্যায়।" উল্লেখ্য, এই দিল্লির নির্বাচনেই বিজেপিকে সমর্থন বিতর্কে ভোট কৌশলী প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হয় নীতীশ কুমারের।

সেই প্রশান্ত কিশোরের স্ট্র্যাটেজির কাছেই হার মানতে হয়েছে বিজেপি-জেডিইউ-এলজেপি জোটকে। তাঁকে দিল্লি নির্বাচনের আগেই দল তেকে সাসপেন্ড করেন নীতীশ কুমার। এবার বিহারের নির্বাচন। তাই এই নির্বাচনে তিনি প্রশান্ত কিশোরের অভাব বোধ করবেনই। এদিনই আপের জয়ের পর দিল্লিবাসীকে ধন্যবাদ দিয়েছেন পিকে।
নীতীশ কুমারের জেডিইউ এবার দিল্লি বুরারি এবং সঙ্গম বিহার কেন্দ্রে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল। এই দুই কেন্দ্রেই বিশাল ব্যবধানে হারতে হয়েছে তাদের। জেডিইউয়ের মতো আঞ্চলিক দলকে কখনই জাতীয় রাজধানীতে এতটা প্রাধান্য দেয়নি বিজেপি। বর্তমান নির্বাচনগুলি শরিকি-দ্বন্দ্বের ফলে তাৎপর্যপূর্ণভাবে বিজেপি প্রথমবারের মতো বিহারের মিত্রশক্তি দুই দলকে আসন ছেড়েছিল।
দিল্লিতে এই জোটের ফলে জেডিইউ প্রশান্ত কিশোরের পাশাপাশি তাদের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক পবন ভার্মাকেও হারাতে হয়েছে জেডিইউকে। তিনি জোটের বিরোধিতা করায় নীতীশ কুমার তাঁকেও সরিয়ে দিয়েছিলেন। এবার বিহারে ভোট। সেই ভোটের সমীকরণ নিয়ে এখন থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে কূটনৈতিক যুদ্ধ।
কংগ্রেসের সঙ্গে লালু প্রসাদের আরজেডি ও জিতেন মাঝির হামের জোট রয়েছে। উল্টোদিকে বিজেপির সঙ্গে জোট জেডিইউ ও এলজেপির। এখন দেখার একটার পর একটা রাজ্য হাতছাড়া হওয়ার পর বিহার তাঁরা নিজেদের দখলে রাখতে পারে কি না। দিল্লির ভোটের আগে বিহারের প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ডে হতাশাজনক পারফরম্যান্স করে হার মেনেছে বিজেপি।












Click it and Unblock the Notifications