পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক যুক্ত গ্যাংস্টার সিন্ডিকেট মামলা! দেশের অন্তত ৭০ টি জায়গায় NIA তল্লাশি
গ্যাংস্টার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দেশ জুড়ে অভিযান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। মূলত উত্তর ভারতের কয়েকটি রাজ্যে এই অভিযান চালানো হয়েছে।
গ্যাংস্টার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযানে নামল ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেটিভ এজেন্সি। এদিন সকাল থেকে বিভিন্ন রাজ্যের অন্তত ৭০ টি জায় তল্লাশি চালায় তারা। তবে এইসব রাজ্যের মধ্যে প্রায় সবই উত্তর ভারতের।
|
আট রাজ্যে এনআইএ অভিযান
এদিন সকালে এনআইএ অভিযান শুরু করে পঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান, দিল্লি, চণ্ডীগড়, উত্তর প্রদেশ, গুজরাত ও মধ্যপ্রদেশে। পঞ্জাবের অন্তত ৩০ টি জায়গায় অভিযান চালানো হয়। ছবিতে দেখা যাচ্ছে পঞ্জাবের গিদ্দারবাহায় তল্লাশি চালাচ্ছেন এনআইএ আধিকারিকরা।
|
নিশানায় আন্তর্জাতিক ড্রাগ সিন্ডিকেটও
হরিয়ানার যমুনানগরের আজাদনদরে অভিযানের পাশাপাশি এনআইএ এদিন গান্ধীধামে গ্যাংস্টার লরেন্স বিশনোইয়ের কাছের বলে পরিচিত কুলবিন্দরের বাড়িতেও তল্লাশি চালায়। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, এই কুলবিন্দর লরেন্স বিশনোইয়ের দীর্ঘদিনের সহযোগী। কুলবিন্দরের বিরুদ্ধে লরেন্সের গ্যাংয়ের লোকজনকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এনআইএ-র অভিযোগ কুলবিন্দর আন্তর্জাতিক ড্রাগ সিন্ডিকেটের সঙ্গে যুক্ত। এই দুজনের সঙ্গে পাকিস্তানেরও ভাল সম্পর্ক রয়েছে বলেও অভিযোগ। তবে এর আগেও এই গ্যাংস্টারদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে এনআইএ। এনিয়ে এনআইএ চতুর্থবার গ্যাংস্টার নেটওয়ার্কে অভিযান চালাল।

হায়দরাবাদে বিস্ফোরণের ষড়যন্ত্রের তদন্তে এনআইএ
২০২২-এর অক্টোবরে হায়দরাবাদে সন্ত্রাসবাদী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে তিনজনের বিরুদ্ধে ইউএপিএ ধারা প্রয়োগ করা হয়। গ্রেফতার হওয়া ৩ ব্যক্তি মহম্মদ জাহেদ, মাজ হাসান ফারুক এবং সামিউদ্দিনের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের নির্দেশে কাজ করার অভিযোগ ওঠে। বলা হয় আইএসআই হ্যান্ডলারদের নির্দেশে জাহেদ ও তার গ্যাং সাধারণের মনে ভয় তৈরির জন্য হায়দরাবাদে বিস্ফোরণে ষড়যন্ত্র করেছিল। সাম্প্রদায়িক বিশৃঙ্খলার পরিবেশ তৈরি করতে জনসমাবেশ এবং মিছিলে গ্রেনেড ছোড়ার পরিকল্পনাও অভিযুক্তরা করেছিল। এমনটাই দাবি করেছে এনআইএ।

বিস্ফোরণ মামলায় কোয়েম্বাটোরে অভিযান
সাম্প্রতিক সময়ে এনআইএ কোয়েম্বাটোর বিস্ফোরণ মামলায় দক্ষিণের কয়েকটি রাজ্যে অভিযান চালায়। তামিলনাড়ু, কর্নাটক এবং কেরলের ৬০ টির বেশি জায়গায় চলে। উল্লেখ করা প্রয়োজন দীপাবলির একদিন পরে ২০২২-এর ২৩ অক্টোবর কোয়াম্বাটোরে গাড়ির সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়। পুলিশের টহল এড়াতে সঙ্গমেশ্বর মন্দিরের সামনে গাড়িটি পার্ক করা হয়েছিল। গাড়িতে রাখা দুটি এলপিজি সিলিন্ডারের মধ্যে একটিতে বিস্ফোরণ হয়। স্থানীয় থানায় মামলা নথিভুক্ত হওয়ার পরে ২৭ নভেম্বর ঘটনার তদন্তভার গাতে নেয় এনআইএ।












Click it and Unblock the Notifications