NCP Breaks: পাল্টা চাপ এনসিপির! অজিত পাওয়ার-সহ নয়জন বিধায়কের সদস্যপদ খারিজের আবেদন
রবিবার দলে ভাঙন ধরিয়ে (NCP Breaks) আট বিধায়ককে নিয়ে মহারাষ্ট্র সরকারে যোগ দিয়েছেন তৎকালীন বিরোধী দলনেতা অজিত পাওয়ার। তিনি এখন মহারাষ্ট্রের উপ মুখ্যমন্ত্রী। এনসিপি নেতা জয়ন্ত পাতিল জানিয়েছেন, অজিত পাওয়ার-সহ নয়জনের সদস্যপদ খারিজের দাবি করে অধ্যক্ষ রাহুল নার্ভেকারের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।
এনসিপির তরফে সেই আবেদনপত্র জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছেও পাঠানো হয়েছে। যেখানে এনসিপির তরফে বলা হয়েছে, দলের বড় অংশ শারদ পাওয়ারের পাশে রয়েছে (NCP Breaks)। প্রসঙ্গত রবিবার এনসিপি নেতা অজিত পাওয়ার বিদ্রোহী হয়ে শিন্ডে-ফড়নবিশ সরকারে যোগ দেন।

রবিবারই এনসিপিতে বিধাজন ঘটিয়ে (NCP Breaks) মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন অজিত পাওয়ার। এছাড়াও ক্যাবিনেটমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ছগন ভুজবল, হাসান মুশরাফি এবং অন্য অনুগত বিধায়করা। এদিকে এনসিপি বিধায়ক জিতেন্দ্র আওহাদকে বিধানসভায় দলের নতুন চিফ হুইপ করেছে এনসিপি।

দলের চিফ হুইপ হওয়ার নিয়োগপত্র নিয়ে এদিন জিতেন্দ্র আওহাদ রাজ্যপাল রমেশ বাইসের সঙ্গে দেখা করেন। মুম্বরা থেকে তিনবারের বিধায়ক জিতেন্দ্র আওহাদ এনসিপিতে শারদ পাওয়ারের অনুগত বিধায়ক। তিনি ১৯৮২ সালে কলেজের টিউশন ফি বৃদ্ধি নিয়ে আন্দোলন করে সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন।
৫৯ বছর বয়সী জিতেন্দ্র জিতেন্দ্র আওহাদ কংগ্রেস দিয়ে রাজনীতি শুরু করলেও শারদ পাওয়ার যখন কংগ্রেসের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যান, সেই সময় জিতেন্দ্র আওহাদ তাঁর পক্ষ নেন (NCP Breaks)। পাওয়ারের প্রতি আনুগত্য থেকেই ২০০২ ও ২০০৮ সালে তিনি বিধান পরিষদে মনোনীত হয়েছিলেন। ২০০৯ সালে তিনি প্রথমবার বিধানসভায় যান। ২০১৪ ও ২০১৯-এ জয়ী হন তিনি।

জিতেন্দ্র আওহাদ ২০১৪ সালে ক্যাবিনেট মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। অন্যদিকে ২০১৯-এ মহা বিকাশ আঘাধি সরকারে আবাসন দফতরের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ২০২০-তে তিনি বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। তারপর তাঁকে গ্রেফতারও করেছিল পুলিশ।












Click it and Unblock the Notifications