জনগণের অংশগ্রহণই সবথেকে বড় শক্তি! মন কি বাতে উন্নত ভারত গড়ার বার্তা মোদীর
মন কি বাতে উন্নত ভারত গড়ার স্বপ্ন বিলোলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার ১০১তম মন কি বাতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের অংশগ্রহণই সবথেকে বড় শক্তি! আর সেটাই উন্নয়ন ভারত গড়ার সোপান। সে জন্য যুব সমাজের অংশগ্রহণ জরুরি বলে দেশবাসীর উদ্দেশে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মন কি বাতের মাধ্যমে দেশবাসীকে বলেন, 'মন কি বাত'-এর এই পর্বটি দ্বিতীয় শতাব্দীর শুরু। গত মাসে আমরা মন কি বাতের বিশেষ সেঞ্চুরি উদযাপন করেছি। আপনাদের অংশগ্রহণ এই কর্মসূচির সবথেকে বড়ো শক্তি।

প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, যখন 'মন কি বাত' সম্প্রচার করা হয়েছিল, সেই সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে, বিভিন্ন টাইম জোনে কোথাও সন্ধ্যা হয়েছে আবার কোথাও গভীর রাত। তা সত্ত্বেও, বিপুল সংখ্যক মানুষ শততম পর্বটি শুনেছিলেন। তিনি বলেন, গত মন কি বাতে কাশী তামিল সঙ্গম নিয়ে কথা হয়েছিল।
তিনি বলেন, কাশী তেলেগু সঙ্গমও কিছু সময় আগে বারাণসীতে হয়েছিল। এক ভারতের মহান চেতনাকে শক্তি দিতে দেশে এমনই এক অনন্য প্রচেষ্টা করা হয়েছে। এটাই যুব সঙ্গমের প্রয়াস। যুব সঙ্গম প্রোগ্রাম নিয়ে আলোচনা করার সময় প্রধানমন্ত্রী মোদী অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গ কথা বলেন।
এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত প্রকল্পের অধীনে যুব সঙ্গম প্রোগ্রাম প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কথা বলেন, অরুণাচল প্রদেশের একজন ছাত্র গ্যামার নিয়োকুমের সঙ্গে। প্রধানমন্ত্রী মোদী তাঁর জাপান সফরের কথা উল্লেখ করেছেন। সেখানে হিরোশিমায় শান্তি স্মৃতিসৌধ দেখার সুযোগ পেয়েছি। এটি একটি আবেগময় মুহূর্ত ছিল।
প্রধানমন্ত্রী মোদী আরও বলেন, বিগত বছরগুলোতেও আমরা ভারতে নতুন ধরনের জাদুঘর ও স্মৃতিসৌধ তৈরি হতে দেখেছি। স্বাধীনতা সংগ্রামে উপজাতীয় ভাই-বোনদের অবদানকে উৎসর্গ করে দশটি নতুন জাদুঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, গুরুগ্রামে একটি অনন্য জাদুঘর রয়েছে।

এদিন বীর সাভারকরকে স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, তাঁর ব্যক্তিত্বে ছিল অসম্ভব দৃঢ়তা এবং উদারতা। তাঁর নির্ভীক ও আত্মমর্যাদাপূর্ণ স্বভাব ছিল। তিনি দাসত্বের মানসিকতা মোটেই পছন্দ করেননি। শুধু স্বাধীনতা আন্দোলন নয়, বীর সাভারকর সামাজিক সাম্য ও সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য যা কিছু করেছেন তা আজও স্মরণীয় হয়ে আছে।
এদিন এনটি রামারাওকেও স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, অভিনয় জগতের পাশাপাশি রাজনীতির জগতেও তাঁর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। তিনি দুই ক্ষেত্রেই সমান জনপ্রিয় ছিলেন। রাম ও কৃষ্ণের ভূমিকায় তিনি এক অনন্ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications