'বজরংবলিকেও ওরা জেলে বন্দি করতে চায়', কর্নাটকে দাঁড়িয়ে তীব্র আক্রমণ মোদীর
কাউন্টডাউন শুরু কর্নাটক নির্বাচনের! আর সেই নির্বাচনে বিজেপির মুখ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ইতিমধ্যে সে রাজ্যে ফের একবার ক্ষমতায় ফিরতে মরিয়া বিজেপি। আর সেই লক্ষ্যেই কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন মোদী-শাহ।
আজ মঙ্গলবার কর্নাটকের ঐতিহাসিক শহর হুপি এবং হসপেটে প্রচার করেন প্রধানমন্ত্রী। শুধু তাই নয়, সভা থেকে কংগ্রেসের ইস্তেহারে বজরং দলকে নিষিদ্ধ করার প্রস্তাবকে তীব্র আক্রমণ করেন নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, বজরং দল হিন্দু সংগঠন। এই জাতীয় হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলিকে নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী।

বলেন, কংগ্রেস 'জয় বজরংবলি' স্লোগানকারীদের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে চাইছে। শুধু তাই নয়, তাঁদের জেলে পাঠানোর ব্যবস্থা করছে। যা খুবই দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেন নরেন্দ্র মোদী। শুধু তাই নয়, এই বিষয়ে কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ শানান তিনি। মোদী বলেন, কংগ্রেস আগে রামনামের উপর বিধিনিষেধ জারি করতে সক্রিয় ছিল। এমনকি ক্ষমতায় আসছে সন্ত্রাসের সঙ্গে কংগ্রেস আপোস করছে বলেও দাবি প্রধানমন্ত্রী।
তবে তাঁর দাবি হনুমানের ভূমিতে আসতে পেরে আমি আমি খুবই ভাগ্যবান। এমনকি মাথা নত করারও সুযোগ পাওয়ার জন্যেও আমি ভাগ্যবান। তবে আমি যখন হনুমানের মাটিকে প্রণাম করতে এসেছি তখন কংগ্রেস তাদের ইস্তেহারে বজরঙ্গবলীকে থামানোর চেষ্ট করছে বলে কটাক্ষ প্রধানমন্ত্রীর।
শুধু তাই নয়, তাঁর কথায় কংগ্রেস আগে ভগবান রামকে আটকে রাখে, এখন 'জয় বজরংবলি'র নামে যারা আওতাজ তুলবেন তাঁদের জেলে বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি নিয়েছে বলেও কটাক্ষ বিজেপি সাংসদের। কংগ্রেসের ভগবাম রাম এবং 'জয় বজরংবলি' জয় বলছেন এমন ভক্তদের নিয়ে কি সমস্যা তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন নরেন্দ্র মোদী।
#WATCH | Bajrang Dal members hold protest in Delhi after Congress party announced in its manifesto for #KarnatakaElections2023 to ban the outfit on the lines of PFI. pic.twitter.com/wjanB8Nbum
— ANI (@ANI) May 2, 2023
বলে রাখা প্রয়োজন, কর্নাটক কংগ্রেস বিধানসভা নির্বাচনের জন্য তাদের ইস্তেহার প্রকাশ করেছে। সেই ইস্তেহারে বিনামূল্যে বিদ্যুত দেওয়ার প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি দুধের ওপরে ভর্তুকি বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে। শুধু তাই নয়, কর্নাটকের ক্ষমতায় আসলে পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া এবং বজরং দলের মতো হিন্দুত্ববাদী সংগঠনকে নিষিদ্ধ করার প্রতিশ্রুতি বলা হয়েছে কংগ্রেসের ইস্তেহারে। আর তা নিয়েই শুরু হয়েছে বিতর্ক।












Click it and Unblock the Notifications