বাড়ি থেকে ভোট দিতে রাজি নন উত্তরপ্রদেশের অধিকাংশ প্রবীণ ভোটার, চ্যালেঞ্জের মুখে নির্বাচন কমিশন
বাড়ি থেকে ভোট দিতে রাজি নন উত্তরপ্রদেশের অধিকাংশ প্রবীণ ভোটার, চ্যালেঞ্জের মুখে নির্বাচন কমিশন
উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচনের আগে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি নির্বাচন কমিশন। কোভিড–১৯ মহামারির মুখে রাজ্যে ভোট হওয়ার দরুণ নির্বাচন কমিশ বিশেষভাবে সক্ষম, ৮০ বছরের ঊর্ধ্বে থাকা প্রবীণ নাগরিক ও কোভিড রোগীদের দরজায় দরজায় ভোট দেওয়ার মাধ্যমে তাঁদের ভোটাধিকারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। যদিও নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে যে অধিকাংশ প্রবীণ নাগরিক ও বিশেষভাবে সক্ষমরা এই পরিষেবা নিতে ইচ্ছুক নয়।

৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুসারে, উত্তরপ্রদেশে ৮০ বছরের ঊর্ধ্বে থাকা নাগরিক বা বিশেষভাবে সক্ষম ২৪.২ লক্ষ ভোটারদের মধ্যে বাড়িতে বসে ভোট দিতে চান এমন ভোটারদের সংখ্যা ১০ হাজার মাত্র। মোরাদাবাদ জেলায় ৪০ হাজার এমন ভোটারদের মধ্যে মাত্র ৪৬০ জন নির্বাচন কমিশনের এই সুবিধা নিতে ইচ্ছুক। নির্বাচন কমিশনের তথ্য বলছে, উত্তরপ্রদেশে যে দশ হাজার জন মানুষ বাড়িতে বসে ভোট দিতে ইচ্ছুক তাঁদের মধ্যে ৭,৩৯৬ জন নাগরিক ৮০ বছরের ঊর্ধ্বে এবং ৩,৩১২ জন বিশেষভাবে সক্ষম (পিডব্লিউডি) বিভাগের (কমপক্ষে ৪০ শতাংশ)।
এখানে উল্লেখ্য যে নির্বাচন কমিশনের সুপারিশে, আইন ও বিচার মন্ত্রকের নির্বাচন পরিচালনার আইন ১৯৬১ সংশোধন করা হয়েছিল, যেখানে ২০১৯ সালের অনুপস্থিত ভোটার তালিকায় থাকা প্রবীণ নাগরিক ও প্রতিবন্ধীদের অনুমতি দেয় বাড়িতে ভোট দেওয়ার। এই ধরনের ভোটাররা পোস্টাল ব্যালট বেছে নিতে পারেন, এটি এমন একটি পদক্ষেপ যা ভোটারদের উপস্থিতি বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। এখানে আরও একটি বিষয় উল্লেখ করার মতো তা হল এই প্রথমবাব উত্তরপ্রদেশে ৮০ বছরের ঊর্ধ্বে ও কোভিড রোগীদের জন্য পোস্টাল ব্যালটে ভোট অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে যাঁদের জন্য এই সুবিধা, তাদের অনেকেই এ সুবিধা সম্পর্কে কিছুই জানেন না বলে দাবি করেছেন।
চলতি বছরে ভারতের পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। করোনাকালীন আবহে বিধানসভা ভোট হতে চলেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, মনিপুর, গোয়া এবং পাঞ্জাব রাজ্যে। এরমধ্যে ভারতের সবচেয়ে বড় রাজ্য উত্তরপ্রদেশে ভোট হবে ৭ ধাপে। উত্তরপ্রদেশে ভোট হবে ১০, ১৪, ২০, ২৩, ২৭ ফেব্রুয়ারি এবং ৩ ও ৭ মার্চ।












Click it and Unblock the Notifications