ক্ষোভের আগুনে পুড়ছে সিরিয়া, দু’দিনের সংঘর্ষে ১০০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত
সিরিয়ায় নিরাপত্তা বাহিনী এবং ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের অনুগতদের মধ্যে দুই দিনের তীব্র সংঘর্ষে মৃতের সংখ্যা ১,০০০ ছাড়িয়েছে। এদের মধ্যে প্রায় ৭৫০ জন বেসামরিক নাগরিকও নিহত হয়েছেন, যা দেশটির সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম ভয়াবহ হিংসার ঘটনা বলেই চিহ্নিত করা হচ্ছে।
ব্রিটেন-ভিত্তিক সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, সংঘর্ষে সরকারি নিরাপত্তা বাহিনীর ১২৫ জন সদস্য এবং আসাদপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠীর ১৪৮ জন যোদ্ধাও নিহত হয়েছেন।

হিংসা সবচেয়ে বেশি ছড়িয়ে পড়েছে সিরিয়ার উপকূলীয় শহর লাতাকিয়ার আশপাশের এলাকায়। সেখানে বিশাল অংশের পানীয় জল সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, বেকারিগুলোও বন্ধ হয়ে গেছে, যার ফলে সাধারণ জনগণের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।
সরকার দাবি করেছে, তারা আসাদ-সমর্থকদের আক্রমণের জবাব দিচ্ছে এবং সহিংসতার জন্য কিছু 'ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ড' দায়ী বলে উল্লেখ করেছে। বিদ্রোহীরা ক্ষমতা গ্রহণের তিন মাস পর এই সংঘর্ষ দামেস্কের নতুন সরকারের জন্য একটি বড় সমস্যা হয়ে উঠেছে।
শুক্রবার থেকে আসাদপন্থী আলাউইত সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক হামলা চালানো হয়েছে, যেখানে সুন্নি মুসলিম সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে, হায়াত তাহরির আল-শাম নামের সংগঠন, যা পূর্ববর্তী সরকার উৎখাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল, এই প্রতিশোধমূলক হত্যাকাণ্ডের প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
বানিয়াস শহরের বাসিন্দারা তাঁদের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে। তাঁদের কথায়, রাস্তা এবং ভবনের ছাদে লাশ পড়ে ছিল, কিন্তু কেউ তা সংগ্রহ করতে পারেনি। বন্দুকধারীরা একটি এলাকায় পাঁচজন নিহত প্রতিবেশীর মৃতদেহ সরিয়ে নিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বাধা দেয়।
সিরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সরকারি বাহিনী ইতিমধ্যেই আসাদ-সমর্থকদের কাছ থেকে বেশিরভাগ এলাকার নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করেছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপকূলীয় এলাকার প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং সেনারা অভিযান চালাচ্ছে।
এই ভয়াবহ সংঘর্ষ ও গণহত্যার ফলে সিরিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, বিদ্রোহী সরকারের টিকে থাকা এবং আসাদপন্থীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভবিষ্যতে আরও রক্তপাতের আশঙ্কা রয়েই যাচ্ছে, যা নিয়ন্ত্রণে আনা যথেষ্ট কঠিন হতে পারে নিয়ন্ত্রণ বাহিনীর ক্ষেত্রে।
-
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত -
দাগি নেতাদের নিরাপত্তা কাটছাঁট কতটা মানল পুলিশ? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন -
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ভোটের আগে তৃণমূলের দুই হেভিওয়েট নেতাকে ইডির তলব -
ভোটের আগেই কমিশনের কড়া নির্দেশ! অনুমতি ছাড়া জমায়েত নয়, নিয়ম ভাঙলেই গ্রেফতার, রাজ্যজুড়ে জারি কঠোর নির্দেশ -
এপ্রিলে শক্তিশালী ত্রিগ্রহী যোগ, শনি-সূর্য-মঙ্গলের বিরল মিলনে কাদের থাকতে হবে সতর্ক? -
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ! MRI Scan-এর খরচ আকাশছোঁয়া হতে পারে, বিপাকে পড়তে পারেন রোগীরা -
অমিত শাহের রাজ্যে থাকার ঘোষণায় তীব্র কটাক্ষ মমতার, বললেন, যত বেশি থাকবে, তত ভোট কমবে -
যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই বড় রদবদল! মার্কিন সেনা প্রধানকে সরাল ট্রাম্প প্রশাসন, কারণ কী, জল্পনা তুঙ্গে -
এপ্রিলেই বাড়ছে গরমের দাপট! আগামী সপ্তাহেই ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ার আশঙ্কা, কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস -
চিপকে হার চেন্নাই সুপার কিংসের, সহজেই জিতল শ্রেয়স আইয়ারের পাঞ্জাব কিংস -
আরও একটি মার্কিন F-35 যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি ইরানের, কী বলছে আমেরিকা?












Click it and Unblock the Notifications