Money Laundering: মোদী-মালিয়াদের পাশে পলাতক অর্থনৈতিক অপরাধীর তালিকায় বহু নতুন নাম, জানেন তাঁরা কারা
কেন্দ্র অর্থ জালিয়াতি-কাণ্ডে পলাতক অভিযুক্তদের কাছ থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা উদ্ধার করেছে। মঙ্গলবার রাজ্যসভায় অর্থ প্রতিমন্ত্রী সেই পরিসংখ্যান দিলেন। তাঁর বয়ানই উঠে এল অর্থ তছরুপে অভিযুক্ত বহু নতুন নাম। শুধু নীরব মোদী, বিজয় মালিয়ারা নন, অর্থ জালিয়াতির এই তালিকায় যাঁরা রয়েছেন তাঁদের অনেক নামই অপরিচিত।
এদিন অর্থ প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী রাজ্যসভায় জানান, সরকার এখনও পর্যন্ত বিজয় মালিয়া ও নীরব মোদীসহ পলাতক অর্থনৈতিক অপরাধী আইনে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কাছ থেকে ১৫,১১৩ কোটি টাকা উদ্ধার করেছে। বিজয় মালিয়া ও নীরব মোদী ছাড়া এই তালিকায় আর কারা কারা আছেন, সেই নামও স্পষ্ট করেছেন তিনি।

তিনি তাঁর রিপোর্টে জালিয়াতি করে পলাতক অর্থনৈতিক অপরাধীর সংখ্যা ১৯ জন বলে উল্লেঠ করেছেন। সেখানে বিজয় মালিয়া, নীরব মোদী ছাড়াও রয়েছেন নীতিন জয়ন্তীলাল সান্দেসরা, চেতন জয়ন্তীলাল সান্দেসরা, দীপ্তিচেতন জয়ন্তীলাল সান্দেসরা, হিতেশকুমার নরেন্দ্রভাই প্যাটেল, জুনায়েদ ইকবাল মেনন, আসিফ ইকবাল মেনন ও রামচন্দ্রন বিশ্বনাথরা।
অপরিচিত যে নামগুলি উঠে এসেছে, তাঁদের মধ্যে সান্দেসরা ও হিতেশকুমার নরেন্দ্রভাই প্যাটেল গুজরাতের ফার্মা জায়ান্ট স্টার্লিং বোয়াটেকের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। একসময় বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম জেলেটিন উৎপাদনকারী ছিল এই সংস্থা। পরবর্তীকালে তা দেউলিয়া হয়ে যায়। মালিকরা তখন ধনী হওয়ার পিছনে ছুটতে থাকেন। তারপর এই সংস্থা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফুট স্টার্ট-আপ ডে অধিগ্রহণ করে।
জুনায়েদ মেনন, হাজরা মেনন ও আসিফ মেনন ছিলেন গ্যাংস্টার ইকবাল মিরচির পরিবারের সদস্য। একসময় দাউদ ইব্রাহিমের ডানহাত ছিলেন। এই তালিকায় দেবাস মাল্টিমিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা রামচন্দ্রন বিশ্বনাথনও রয়েছেন। তাঁর কোম্পানির মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য অর্থ উপার্জন ও ব্যক্তিগত লাভের জন্য অনেককে সরিয়ে দিয়েছিলেন।

রামচন্দ্রন বিশ্বনাথন ও আট জনের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগ ওঠে। ২০০৫ সালে ইসরোর সঙ্গে একটি চুক্তির পর স্টার্ট-আপের বিদেশি সরাসরি বিনিয়োগের ৮৫ শতাংশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগও আনা হয়েছিল। দেবাসের স্যাটেলাইট চুক্তি ২০১১ সালে বাতিল করা হয়েছিল।
এই ১৯ জন পলাতক অপরাধীর মধ্যে মাত্র চারজনকে ভারতে প্রত্যার্পণ করিয়েছে ইডি। বাকিরা এখনও পলাতক। মোট ১০ জনকে পলাতক অর্থনৈতিক অপরাধী বলে ইতিমধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁরা ৪০ হাজার কোটি টাকার বেশি জালিয়াতি করে চম্পট দিয়েছেন দেশ থেকে। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট ৯ জনের বিরুদ্ধে পলাতক অর্থনৈতিক অপরাধী আইন ২০১৮ প্রয়োগ করার আবেদন করেছে।












Click it and Unblock the Notifications