উত্তেজনার বাতাবরণেই প্রথমবার মুখোমুখি হতে চলেছেন মহম্মদ ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদী, হবে বৈঠক
ভারত-বাংলাদেশ উত্তেজনার মাঝেই এবার মুখোমুখি বৈঠকে বসতে চলেছেন মহম্মদ ইউনূস এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বহুল প্রতীক্ষিত বৈঠক শুক্রবার অর্থাৎ ৪ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। এটি হবে দুই দেশের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক, যা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
গত জুলাইয়ে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতি ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক কিছুটা শীতল হয়ে পড়ে। সংখ্যালঘুদের উপর হিংসা এবং ভারতে শেখ হাসিনার অবস্থান নিয়ে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।

বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে অনুষ্ঠিত এই বৈঠক বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। মোদী ও ইউনূসের আনুষ্ঠানিক বৈঠক শুক্রবার (৪ এপ্রিল, ২০২৫) দুপুরে অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার থাই প্রধানমন্ত্রী পায়েতংটার্ন সিনাওয়াত্রার আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দুই নেতার আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেখানেও একাধিক বিষয়ে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে আলোচনা হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
থাইল্যান্ড সফরের আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, "আমি বিমসটেক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি এবং আমাদের সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চাই"। যদিও তিনি নির্দিষ্ট কোনো নেতার নাম উল্লেখ করেননি। তবে ধারণা করা হচ্ছে বাংলাদেশ, নেপাল ও মায়ানমারের নেতাদের সঙ্গেও আলোচনা করতে পারেন।
নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির সঙ্গেও মোদীর বৈঠক হতে পারে বলে সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে। মায়ানমারের জান্তা সরকারের প্রধানমন্ত্রী মিন অং হ্লাইং-এর সঙ্গেও সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে আলোচনা চলছে বলেও জানা যাচ্ছে।
এই বৈঠকটি ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঢাকা ও দিল্লির মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া তৈরি হলে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সহজ হবে। এখন দেখার বিষয়, এই বৈঠক দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ককে কোন পথে নিয়ে যায়!












Click it and Unblock the Notifications