ব্লিনকেনের প্রশ্নবাণে চাপে মোদী সরকার, সিএএ-লাভ জেহাদ-কৃষক আন্দোলনে অস্বস্তিতে দোভাল-জয়শঙ্কর
ব্লিনকেনের প্রশ্নবাণে চাপে মোদী সরকার, সিএএ-লাভ জেহাদ-কৃষক আন্দোলনে অস্বস্তিতে দোভাল-জয়শঙ্কর
শিয়রে আফগানিস্তান সঙ্কট। এদিকে তারমাঝেই বুধবার দুদিনের ভারত সফরে এসেছেন নয়া মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্টনিও ব্লিনকেন। আর সফরের শুরুতেই দেখা করেন বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এস জয়শঙ্করের সঙ্গে। বৈঠকে ঐক্যের বার্তা দিলেও সেই সঙ্গে সিএএ, লাভ জেহাদ, কৃষক আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে দুই মোদী ঘনিষ্ঠ কর্তাকেই ফেললেন অস্বস্তিতে।

এদিকে এদিন ব্লিনকেনকে বলতে শোনা যায়, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধই ভারত-আমেরিকার সম্পর্কের মূল ভিত্তি। গোটা বিশ্ব যেখানে আজ স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার ঝুঁকির মুখে পড়ছে সেখানে ভারত আমেরিকার মত বড় দেশকেই গণতন্ত্রের ধ্বজা উর্ব্ধে তুলে রাখতে হবে। ব্লিনকেনের এই বার্তায় যেখানে ভারত আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার হওয়ার কথা ভাবছে মোদী মহল ঠিক তখনই সিএএ, কৃষক আন্দোলনের প্রসঙ্গে তুলে সরকারি কর্মকর্তাদর চাপের ফেললেন তিনি।
অন্যদিকে কৃষক বিক্ষোভ, সিএএ-র পাশাপাশি ভারতে আন্তঃ-ধর্মীয় সম্পর্ক, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, লাভ জিহাদ সংক্রান্ত হিংসা, সংখ্যালঘু অধিকার সম্পর্কেও অজিত দোভালদের একগুচ্ছ প্রশ্ন করেন ব্লিনকেন। যা নিয়ে নতুন করে চাপানৌতর শুরু হয়েছে দিল্লির অন্দরে। এদিকে মোদী জমানার প্রথম পর্ব থেকে দ্বিতীয় পর্বে একাধিকবার কাঁটার মতো বিঁধেছে একাধিক গণ আন্দোলন।
এমনকী সাম্প্রতিক সময়ে সিএএ-এনআরসি বিরোধী আন্দোলন, নয়া কৃষি আইনের জেরে গোটা দেশেই মুখ পোড়ে মোদী সরকারের। এমনকী নয়া লাভ জেহাদ আইনের জেরেও তৈরি হয়েছে বিরোধীদের রাস্তা। প্রতিটা ইস্যুতেও প্রশ্নের মুখে পড়েছে সংখ্যালঘুদের অধিকার। মোদী সরকারের হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির জেরেই সঙ্কটে পড়েছে ভারতের গণতান্ত্রিক ভিত্তি। এমনটাই মত ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের। অন্যদিকে সাম্প্রতিক একাধিক রিপোর্টেই দেখা গিয়েছে ভারতে সংবাদপত্রের স্বাধীনতাও আগের থেকে অনেকটাই খর্ব হচ্ছে। এবার এই ইস্যুগুলিতে মোদী সরকারকে খোদ মার্কিন বিদেশ সচিব পাল্টা প্রশ্ন করায় চাপ যে বাড়বে তা বলাই বাহুল্য।












Click it and Unblock the Notifications