সীমান্তে শান্তি নষ্টে সবরকম চেষ্টা চালিয়েছে চিন! বিদেশমন্ত্রকের রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য
কোয়াডের (অস্ট্রেলিয়া, ভারত, জাপান, আমেরিকা) পরিধি বৃদ্ধি পেয়েছে। এমনকি সীমান্তে কিছু অগ্রগতি হয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও চিনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক জটিল হয়েছে। সোমবার বিদেশমন্ত্রকের (MEA) প্রকাশিত বার্ষিক রিপোর্টে এমনটাই দাবি করা হয়েছে।

শুধু তাই নয়, ২০২০ সালের এপ্রিল-মে মাসে যেভাবে পূর্ব লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় একতরফা ভাবে স্থিতাবস্থা নষ্ট করে গিয়েছে চিন। এমনকি সীমান্তবর্তী এলাকাতেও শান্তি নষ্ট করার ক্ষেত্রে চিন সবরকম কার্যকলাপ চালিয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে ওই রিপোর্টে। আর এতে ভারত এবং চিনের মধ্যে সম্পর্ক ব্যাপক ভাবে প্রভাবিত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
তবে চিনের উসকানিমূলক কার্যকলাপের জবাব ভারতীয় সেনা কড়া ভাষায় দিয়েছে বলেও এদিন দাবি করা হয়েছে প্রকাশিত রিপোর্টে। বিদেশ মন্ত্রকের তরফে ২০২২ সালের যে বার্ষিক রিপোর্ট প্রকাশিত হয়ে সেখানকার একটা বড় অংশ জুড়ে শুধু চিনের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
রিপোর্টে বলছে বিদেশমন্ত্রী বারবারই দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য সীমান্তে শান্তি ফিরিয়ে আনার কথা বলেছেন। তবে চিনের সঙ্গে যে সম্পর্ক জটিল তা মেনে নিয়েছেন রিপোর্টে। তবে এই বিষয়ে দুই দেশের আলোচনা চলছে। এমনকি সম্পর্ক উন্নতির ক্ষেত্রে মান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতার মতো সমস্যার সমাধান প্রয়োজন আছে বলেও ভারত-চিন মনে করছে বলে দাবি করা হয়েছে রিপোর্টে।
তবে ২০২০ সালের এপ্রিল-মে মাস থেকে ধারাবাহিক ভাবে সীমান্তে সংঘাত ছড়ানোর চেষ্টা চিন করেছে বলে দাবি। তবে কমিউনিস্ট এই দেশে আলোচনার মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সমস্যাগুলির সমাধান করবে বলে জানায়। কিন্তু এরপরেও চিনের একাধিক উসকানিমূলক পদক্ষেপ যা সংঘাতে আবহ তৈরি করছে বলে প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে পাকিস্তান ইস্যুতেও বার্তা দেওয়া হয়েছে বিদেশমন্ত্রকের তরফে প্রকাশিত রিপোর্টে। সন্ত্রাসবাদ ছড়ানো এবং ভারতের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
শুধু তাই নয়, দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে সন্ত্রাসমুক্ত পরিবেশ তৈরি করার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। তবে আলোচনার পরিবেশ তৈরির দায়িত্ব পাকিস্তানকেই নিতে হবে বলে দাবি করা হয়েছে ওই রিপোর্টে।












Click it and Unblock the Notifications