লক্ষ্য ২০১৯-এ বিজেপি নিধন, সিপিএমও যে ব্রাত্য নয় ইয়েচুরি সকাশে দেখালেন মমতা
বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে হটাতে তাঁর কাছে যে কিছুই বাধা নয়, আবারও বুঝিয়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রয়োজনে তিনি সিপিএমের সঙ্গে মঞ্চ শেয়ার করতেও রাজি।
বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে হটাতে তাঁর কাছে যে কিছুই বাধা নয়, আবারও বুঝিয়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রয়োজনে তিনি সিপিএমের সঙ্গে মঞ্চ শেয়ার করতেও রাজি। করলেনও তাই। এমনকী প্রকাশ্য মঞ্চে তিনি এগিয়ে গিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময়ও করলেন সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরির সঙ্গে।

লক্ষ্য ২০১৯ লোকসভা নির্বাচন। বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে সরাতে অবিজেপি দলগুলিকে একজোট হওয়ার ডাক দিয়েছেন তিনি। তাঁর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই লড়াইয়ে থাকার বার্তা দিয়েছেন শারদ পাওয়ার, চন্দ্রবাবু নাইডু, কে চন্দ্রশেখর রাও, অখিলেশ যাদব, মায়াবতী, অরবিন্দ কেজরিওয়াল-সহ অনেকেই। আর মমতাও তাঁদের বুঝিয়ে দিয়েছেন কংগ্রেসকে বাইরে রেখে এই জোট সম্ভব নয়।
তাই কংগ্রেসকে যেমন রাখতে হবে জোটে, সিপিএমও যে ব্রাত্য নয়, তা স্পষ্ট করে দিল কর্ণাটকের নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। সেই অনুষ্ঠানে কংগ্রেসের সঙ্গে জোটপন্থী সীতারাম ইয়েচুরি সামিল হলেন। ক্ষণিকের জন্য হলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর সঙ্গে সৌজন্য প্রদর্শন করে গেলেন।
একা সীতারাম ইয়েচুরিই নন, এদিন শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নও। অবিজেপি বহু দলের সমন্বয়ে এদিনের মঞ্চে ভারতীয় রাজনীতিতে বৃহত্তর জোট রাজনীতির রিহার্সাল হল। অবিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রীরা যেমন এক জায়গায় মিলিত হলেন, তাঁদের বিরোধী আঞ্চলিক দলও বৃহত্তর স্বার্থে মিলিত হলেন এক মঞ্চে। এই তালিকায় যেমন ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সীতারাম ইয়েচুরি, তেমনই ছিলেন অখিলেশ ও মায়াবতী। আবার দক্ষিণী রাজ্যগুলির শাসক-বিরোধীকেও দেখায় গেল এক মঞ্চ শেয়ার করতে। সব মিলিয়ে বিরোধী ঐক্যের যে ছবি ধরা পড়ল কুমারস্বামীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে, বাস্তবায়িত হলে তা অবশ্যই নরেন্দ্র মোদীর দুঃস্বপ্নের কারণ হবে।
আর কুমারস্বামী পরিষ্কার বুঝিয়ে দিলেন এক জোট হয়েই কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে লড়তে হবে। তিনি বলেন, সারা দেশের অধিকাংশ দলের নেতা-নেত্রীরা চাইছেন একটা বিশেষ সম্মিলিত বার্তা দিতে যে, আমরা এক। এই বার্তাই স্পষ্ট করে দিচ্ছে ২০১৯-এ একটি বিরাট রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটতে চলেছে। তারা এখানে এই সরকারকে নিরাপত্তা দিতে আসেনি। এসেছে সম্মিলিত বার্তা দিতে। আমি বিশ্বাস করি, এই সরকার স্থানীয় কংগ্রেস নেতৃত্ব ও জেডিএস নেতৃত্বই নিরাপত্তা দিতে পারবে।
-
আরও একটি সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন, আর কত নাম নিষ্পত্তি হওয়া বাকি? -
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত -
দাগি নেতাদের নিরাপত্তা কাটছাঁট কতটা মানল পুলিশ? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন -
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ভোটের আগে তৃণমূলের দুই হেভিওয়েট নেতাকে ইডির তলব -
ভোটের আগেই কমিশনের কড়া নির্দেশ! অনুমতি ছাড়া জমায়েত নয়, নিয়ম ভাঙলেই গ্রেফতার, রাজ্যজুড়ে জারি কঠোর নির্দেশ -
এপ্রিলে শক্তিশালী ত্রিগ্রহী যোগ, শনি-সূর্য-মঙ্গলের বিরল মিলনে কাদের থাকতে হবে সতর্ক? -
অমিত শাহের রাজ্যে থাকার ঘোষণায় তীব্র কটাক্ষ মমতার, বললেন, যত বেশি থাকবে, তত ভোট কমবে -
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ! MRI Scan-এর খরচ আকাশছোঁয়া হতে পারে, বিপাকে পড়তে পারেন রোগীরা -
যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই বড় রদবদল! মার্কিন সেনা প্রধানকে সরাল ট্রাম্প প্রশাসন, কারণ কী, জল্পনা তুঙ্গে












Click it and Unblock the Notifications