সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের এই অজানা দিকটি ফাঁস করেছিলেন গান্ধী
বল্লভভাইয়ের অজানা এক দিক ফাঁস করেছিলেন মহাত্মা গান্ধী। রাজনীতিতে কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া ছাড়াও তাঁর একটি দিক ছিল। তা হল বিভিন্ন সময় তাঁর হাসি ঠাট্টা করার স্বভাব।
সর্দার বল্লভ প্যাটেলকে সবাই দেশ মনে রেখেছে লৌহমানব হিসেবে। দেশকে ঐক্যবদ্ধ করার মাধ্যমে বর্তমান ভারতবর্ষের রূপকার তিনি। তাঁকে সম্মান জানাতেই আজ তাঁর ১৪৪তম জন্মবার্ষিকীতে জম্মু ও কাশ্মীর থেকে লাদাখের পৃথকীকরণ কার্যকর করল কেন্দ্র। তবে এহেন বল্লভভাইয়ের অজানা এক দিক ফাঁস করেছিলেন মহাত্মা গান্ধী। রাজনীতিতে কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া ছাড়াও তাঁর একটি দিক ছিল। তা হল বিভিন্ন সময় তাঁর হাসি ঠাট্টা করার স্বভাব।

রাজনৈতিক আলাপ ছাড়াও গান্ধীর সঙ্গে ঠাট্টা করতেন সর্দার
মহাত্মা গান্ধীর সঙ্গে সর্দার প্যাটেলে পরিচিতি ছিল দীর্ঘ ৩০ বছরের। এই সময়কালে রাজনৈতিক আলাপ ছাড়াও মহাত্মার সঙ্গে বিভিন্ন সময় ঠাট্টা করতেন সর্দার। আর এই কথা নিজেই জানিয়েছিলেন গান্ধীজী। এরকমই একটি ঘটনা ঘটে ইয়েরেওয়াড়া জেলে। সেই সময় গান্ধীজী ও সর্দার প্যাটেল একই সঙ্গে বন্দি ছিলেন। সঙ্গে ছিলেন মহাদেব দেশাইও। সেই সময় মহাদেব দেশাই তাঁর দিনলিপিতে সর্দার প্যাটেলের এই হাসি ঠাট্টা করার স্বাভাবকে তুলে ধরেছিলেন। সেরকমই এক সময় কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রসঙ্গে সর্দার প্যাটেল নাকি গান্ধীজীকে বলেছিলেন, "এতে এক চিমটি সোডা দিয়ে দিন। সব ঠিক হয়ে যাবে।"

প্যাটেলের এই ঠাট্টা করার অভ্যাসে আনন্দ পেতেন গান্ধী
গান্ধীজীও প্যাটেলের এই ঠাট্টা করার অভ্যাসে বেশ আনন্দ পেতেন। একবার তিনি প্যাটেলকে এক চিঠি লিখে জিজ্ঞাসা করেছইলেন, "কোনও ভারী ব্যক্তি হাটার সময় কী ভাবে মাটিতে থাকা পিপড়েদের না মেরে চলতে পারে?" এর জবাবে প্যাটেল গান্ধীজীকে চিঠিতে লিখেছিলেন, "সেই ব্যক্তিকে পা মাথআয় নিয়ে চলতে বলুন।"

'সর্দার প্যাটেলের রসিকতা আমি সারা দিন হাসি'
রাজনৈতিক শ্রীনিবাস শাস্ত্রী একবার গান্ধীজীকে প্রশ্ন করেছিলেন, "আপনি একা থাকতে থাকতে অবশাদে ভোগেন না?" জবাবে গান্ধী তাঁকে বলেছিলেন, "সর্দার প্যাটেলের রসিকতা আমাকে সারা দিন ধরে হাসায়। একবার না বহুবার হাসায়। যতক্ষণ না হাসতে হাসতে আর পারি না ততক্ষণ হাসি।"












Click it and Unblock the Notifications