১১ কংগ্রেস বিধায়কের অনুপস্থিতিই কি সহজ করল শিন্ডের জয়? শিন্ডের সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
১১ কংগ্রেস বিধায়কের অনুপস্থিতিই কি সহজ করল শিন্ডের জয়? শিন্ডের সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
আস্থা ভোটে প্রত্যাশিত জয় শিন্ডের। ১৬৪ ভোটে জয়ী হয়েছে শিন্ডে-বিজেপি সরকার। এই জয়ের মধ্যেও কোথাও একটা খুঁত ধরিয়ে দিয়ে গিয়েছেন ১১ জন কংগ্রেস বিধায়ক। আজকের আস্থা ভোটে সামিল হননি তাঁরা। এই ১১ জন কংগ্রেস বিধায়কের অনুপস্থিতিই কি অনেকটা সহজ করে দিয়েছে শিন্ডেদের জয়। এই নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। কেন তাঁরা উদ্ধবের পাশে থেকে ভোট দিতে এলেন না তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এরই মধ্যে আবার ২ শিবসেনা বিধায়ক শিন্ডের শিবিরে সামিল হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গিয়েছে।

আস্থা ভোটে জয় শিন্ডের
অবশেষে যুদ্ধ জয়। পাকাপাকি ভাবে নিজের সরকার চালানোর মত শক্তি পেয়ে গিয়েছেন একনাথ শিন্ডে। সোমবার মহারাষ্ট্র বিধানসভায় আস্থা ভোটে ১৬৪টি ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন একনাথ শিন্ডে। আগে থেকেই তিনি দাবি করেছিলেন যে তাঁর জয় হবেই। আস্থা ভোট সহজ করার জন্য বিদ্রোহী শিবিরে নাম লেখানো বিধায়কদের বাড়িফিরতে দওয়া হয়নি গত কয়েকদিন ধরে। মুম্বইয়ে ফিরিয়ে আনা হলেও তাঁদের আলাদা করে একটি রিসর্টে রাখা হয়েছিল। অর্থাৎ উদ্ধব সরকারের পতনের শেষ হাসিটা হাসলেন িশন্ডেই।

১১ কংগ্রেস বিধায়ক অনুপস্থিত
টানটান উত্তেজনায় আজ মহারাষ্ট্র বিধানসভার আস্থাভোট হয়ে গেল। কিন্তু ১১ জন কংগ্রেস বিধায়ক অনুপস্থিত ছিলেন আস্থা ভোটে। তাঁরা অংশ নেননি। অশোক চবন, পরিনীতি শিন্ডে, জিতেশ অন্তপুরকর, িবজয় বাদেত্তিয়ার, জিশান সিদ্দিকি, ধীরজ দেশমুখ, কুণাল পাটিল, রাজু আওয়ালে, মোহন হামবারে, শিরিষ চৌধুরী। যার জেরে ১৬৪টি ভোট পেয়েছে শিন্ডে শিবির।আর উদ্ধব শিবির পেয়েছে ৯৯টি ভোট। কংগ্রেস বিধায়কদের এই আস্থাভোটে অনুপস্থিতি নিয়ে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। তাঁরা ভোট দান থেকে কেন বিরত থাকলেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও এই নিয়ে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

৬ মাসের বেশি টিকবে না সরকার
আস্থা ভোটে শিন্ডে শিবিরের জয় যে হবেই সেকথা আগেই আঁচ করতে পেরেছিলেন শরদ পাওয়ার। আস্থা ভোটের আগে তিনি দাবি করেছেন শিন্ডে-ফড়ণবীশের সরকার ৬ মাসের বেশি টিকবে না। তাঁরা খুব বেশি দিন একসঙ্গে কাজ করতে পারবেন না। অনৈতিক ভাবে আগাড়ি সরকারের পতন ঘটানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন পাওয়ার। শিন্ডের পক্ষ থেকে বারবার দাবি করা হয়েছে,ষড়যন্ত্র করে বিরোধীদের সরকারের পতন ঘটানো হচ্ছে একাধিক রাজ্যে। কর্নাটক এবং মধ্য প্রদেশে একই ভাবে বিরোধীদের সরকারের পতন ঘটিয়েছে বিজেপি।

বিরোধীদের নিশানা ফড়ণবীশের
একনাথ এবং ফড়ণবীশের সরকারকে ইডি সরকার বলে কটাক্ষ করতে শুরু করেছেন ঠাকরে অনুগামীরা। এমনকী সঞ্জয় রাউতও একের পর এক নিশানা করে চলেেছন তাঁদের। বিদ্রোহী শিবসেনা বিধয়কদের নিশানা করে সঞ্জয় রাউত বলেছেন কাসভকে এত নিরাপত্তা দেওয়া হয়নি যত নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে বিদ্রোহী শিবসেনা বিধায়কদের। বিরোধীদের পাল্টা নিশানা করে দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ জানিয়েছেন, এটা ইডি সরকারই বটে। ২০১৯-এই জনতা রায় দিয়ে দিয়েছিল শিবসেনা-বিজেপি জোট সরকারের। কিন্তু ঠাকরে সেই রায়ের মর্যাদা রাখেননি।












Click it and Unblock the Notifications