নরেন্দ্র মোদী ভীত, মঞ্চেই চোখের জল ফেলবেন! তীব্র আক্রমণে রাহুল গান্ধী
Lok Sabha Election 2024: নরেন্দ্র মোদীকে এবার তীব্র কটাক্ষে বিঁধলেন রাহুল গান্ধী। তাঁর দাবি, দেশের প্রধানমন্ত্রী নার্ভাস। জনসভায় তিনি চোখের জল ফেলবেন, এমন পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছে।
দেশের মানুষকে মোদী লুঠ করে একাংশকে বিপুল সম্পত্তির অধিকারী করে তুলেছেন বলেও মন্তব্য করেন রাহুল।

রাহুল আজ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শুনলেই বোঝা যাচ্ছে তিনি ভীত। জনসভার মঞ্চে তিনি কেঁদে ফেলবেন, এমন পরিস্থিতিও অস্বাভাবিক নয়। নরেন্দ্র মোদী দেশের জনসাধারণের দৃষ্টি ঘোরানোর চেষ্টা করছেন। কখনও চিন আর পাকিস্তানের কথা বলে, কখনও বাসন বাজাতে বলে, কখনও আবার মোবাইলের টর্চ জ্বালাতে বলে।
রাহুলের দাবি, নরেন্দ্র মোদী দেশের গরিব মানুষের টাকা লুঠ করেছেন। তিনি কিছু মানুষকে ধনকুবের বানিয়েছেন। দেশের ৭০ শতাংশ মানুষের যা সম্পত্তি তার সমপরিমাণ রয়েছে ২২ জনের কাছে। দেশের সম্পদের ৪০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করছে দেশের জনসংখ্যার মাত্র ১ শতাংশ।
অগ্নিবীর প্রকল্পের মাধ্যমে মোদী সেনাবাহিনীর কাজের সুযোগ থেকে দেশবাসীকে বঞ্চিত করছেন বলেও অভিযোগ রাহুলের। তিনি বলেন, নরেন্দ্র মোদী দেশের যুবদের কাছ থেকে সেনাবাহিনীতে কাজের সুযোগ ছিনিয়ে নিয়েছেন। অগ্নিবীর প্রকল্প এনেছেন, যা ভারতীয় সেনাবাহিনী ও সৈনিকদের অপমান। ক্ষমতায় এলে অগ্নিবীর প্রকল্প তুলে নেওয়ার আশ্বাস দেন রাহুল।
আজ মালদহ ও বিহারের আরারিয়ার সভা থেকে কংগ্রেসকে নিশানা করেন মোদী। বিহারে তিনি রাহুলের নাম না করে বলেন, কংগ্রেসের শেহজাদা দেশের প্রতি পরিবারের সম্পত্তির সমীক্ষা করিয়ে উত্তরাধিকার কর বসানোর কথা বলছেন। কংগ্রেসের কু-দৃষ্টি পড়েছে দেশবাসীর সম্পত্তির উপর।
মোদী বলেন, পরিবারের কিছু সঞ্চিত অর্থ থাকে। মানুষের একটা দোকান বা বাড়ি থাকে। বোনেদের অলঙ্কার আর মঙ্গলসূত্র থাকে। কংগ্রেস সম্পত্তির সমীক্ষা করবে। কৃষকদের বাড়ি ও জমির সমীক্ষা করিয়ে উত্তরাধিকার কর বসানোর কথা বলছে। প্রতি পরিবারের সম্পত্তি যাচাইয়ে তারা নাকি এক্স-রে চালাবে। মানুষের সম্পত্তি ভোটব্যাঙ্কের মধ্যে বিতরণের চেষ্টা কংগ্রেস করছে বলে তোপ দাগেন মোদী।
তারই পাল্টা দিয়ে রাহুল দাবি করেন, বর্তমানের যাবতীয় পরিকল্পনায় দলিত, ওবিসি, আদিবাসী, সংখ্যালঘু, গরিবদের জন্য কোনও সুযোগ-সুবিধা নেই। রাহুলের কথায়, একটা কথা স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই। যে সম্পদ মোদী ধনকুবেরদের দিয়েছেন, সেই অর্থ আমরা দেশের গরিব মানুষের মধ্যে বিতরণ করব।
জিএসটি কাঠামোতেও বদলের আশ্বাস উঠে এসেছে রাহুলের কথায়। তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন আগের নির্বাচনগুলির মতো নয়। কারণ, দেশের ইতিহাসে এই প্রথম একটি দল ও এক ব্যক্তি দেশের সংবিধান ও গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দিতে চাইছেন।












Click it and Unblock the Notifications