Lok Sabha Election 2024: লোকসভা নির্বাচনে মোদীর হ্যাটট্রিক প্রায় অনিবার্য! উঠে আসছে বিদেশি পত্র পত্রিকায়
Lok Sabha Election 2024: হিন্দি বলয়ের তিন রাজ্যে জয়ের পরে দেশে একাধিক সমীক্ষায় লোকসভা নির্বাচনে ফের নরেন্দ্র মোদীর জয়ী হওয়ার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এবার নরেন্দ্র মোদীর জয়ী হওয়ার পূর্বাভাস বিদেশি পত্রপত্রিকাতেও। সেখানে দক্ষিণ ও পূর্ব ভারতে আঞ্চলিক শক্তিগুলির শক্তিশালী হওয়া এবং বিজেপির দুর্বল হওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
লন্ডনের সংবাদ পত্র দ্য গার্ডিয়ানে বলা হয়েছে, ভারতের আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদী এবং বিজেপির জন্য টানা তৃতীয়বারের জয় অনিবার্য বলেই মনে করা হচ্ছে। সেখানে লেখক হান্না এলিস-পিটারসন বলেছেন, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিশগড়ের রাজ্য নির্বাচনে বিজেপির সাম্প্রতিক জয়, প্রধানমন্ত্রী মোদীর বিপুল জনপ্রিয়তা এবং অযোধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধনের মতো আবেগপূর্ণ বিষয়গুলি একসঙ্গে যুক্ত হতে হ্যাটট্রিকের অনিবার্যতা তৈরি করেছে।

সেখানে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, তিন রাজ্যে জয়ের পরে প্রধানমন্ত্রী মোদী ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, এই জয় ২০২৪-এর জয়কে নিশ্চিত করেছে। কলামে লেখক আরও উল্লেখ করেছেন, বিজেপির জাতীয়তাবাদী অ্যাজেন্ডার পাশাপাশি শক্তিশালী ব্যক্তি হিসেবে নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয়তা রয়েছে। এছাড়াও দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠীও তাঁকে পছন্দ করছেন।
২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর জাতীয় ও রাজ্যস্তরে বহু মানুষও প্রবলভাবে বিজেপির দিকে ঝুঁকে পড়েছে বলে উল্লেখ করেছেন লেখক। পাশাপাশি প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস তেলেঙ্গানা নির্বাচনে জয়লাভ করলেও মাত্র তিনটি রাজ্যে ক্ষমতায় থাকার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
রিপোর্টে বিরোধী দলগুলির ইন্ডিয়া ব্লক গঠনের কথা উল্লেখ করে বিজেপির বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে লড়াই করার প্রতিশ্রুতি দিয়েও এখনও যে তারা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে একত্রিত হতে পারেনি তাও বলা হয়েছে। সেই জায়গা থেকে সাধারণভাবেই বিজেপির জয় প্রায় অনিবার্ষ বলেই উল্লেখ করা হয়েছে।
সেখানে প্রাক নির্বাচনী পর্যায়ে বিকশিত ভারত সংকল্প যাত্রার দিকে ইঙ্গিত করে বলা হয়েছে, আগামী দু'মাসে শাসক দল শহর ও গ্রামে প্রচারের কর্মসূচি নিয়েছে, যা গত নয় বছরে বিজেপির সাফল্যের কথা প্রচার করবে।
এলিস-পিটারসেন লিখিছেন, প্রধান বিরোধী থেকে ২০২৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হন মোদী। এরপর ২০১৯ সালের নির্বাচন হয় একটি সন্ত্রাসবাদী হামলা এবং তার ফল স্বরূপ পাকিস্তানে বিমান হামলা চালানোর পরে। তিনি বলেছেন, বিজেপি ২০১৯-এর মতো ফলের পুনরাবৃত্তি করতে পারবে কিনা তা এখনও অস্পষ্ট। বিহার ও মহারাষ্ট্রের মতো রাজ্যগুলিতে দলের অবস্থান অনিশ্চিত বলে উল্লেখ করে বলা হয়েছে, সেখানে চাকরি এবং মুদ্রাস্ফীতির মতো সমস্যাগুলি ভোটের ধরণকে প্রভাবিত করতে পারে।
দ্য গার্ডিয়ানে লেখক উল্লেখ করেছেন, রাজ্যের নির্বাচনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর করার কিছু না থাকলেও, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিশগড়ে বিজেপির জয় প্রধানমন্ত্রী মোদীর জনপ্রিয়তাকে আবারও নিশ্চিত করেছে। কৌশলগতভাবে বিজেপি মোদীকে সামনে রেখেই প্রচার করেছে। স্থানীয় নেতাদের জায়গায় রাজ্যগুলিতে ভোটারদের কাছে সরাসরি আবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
কলামে আন্তর্জাতিক রাজনীতি হোক কিংবা চাঁদে অবতরণ হোক, প্রধানমন্ত্রী মোদীর ভারতকে বৈশ্বিক শক্তি হিসেবে উন্নীত করার ভূমিক্রা প্রশংসা করা হয়েছে। ২২ জানুয়ারি রামমন্দিরের উদ্বোধনের কথা উল্লেখ করে কলামে বলা হয়েছে, এটি বিজেপিকে আধিপত্য বিস্তারের ইস্যুগুলির মধ্যে একটি।












Click it and Unblock the Notifications