চেক বাউন্স নিয়ে নতুন আইন! প্রতারিত ও প্রতারকের জন্য কী ব্যবস্থা জেনে নিন
চেক বাউন্স নিয়ে নতুন আইন পাশ হয়ে গেল সংসদে। এবার থেকে যাঁর চেক বাউন্স হয়েছে, তাঁকে চেকে উল্লিখিত অর্থের কুড়ি শতাংশ অর্থ অভিযোগকারীকে দিতে হবে।
চেক বাউন্স নিয়ে নতুন আইন পাশ হয়ে গেল সংসদে। এতদিন পর্যন্ত যিনি চেক ইস্যু করেছেন, সেই চেক বাউন্সের ক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি কোনও শাস্তির আওতায় আসতেন না। সংসদে নতুন আইন পাশ হওয়ায় এবার থেকে যাঁর চেক বাউন্স হয়েছে, তাঁকে চেকে উল্লিখিত অর্থের কুড়ি শতাংশ অর্থ অভিযোগকারীকে দিতে হবে।

আইন সংশোধনে ব্যাঙ্কগুলিরও সুবিধা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী শিবপ্রতাপ শুক্লা।
সংসদে সোমবার ধ্বনি ভোটে নিগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্ট অ্যাক্ট ১৮৮১ সংশোধন করে নিগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্ট অ্যাক্ট ২০১৭ গৃহীত হয়েছে । এই আইনে চেক বাউন্সকে অপরাধ বলে গণ্য করা হয়েছে। যিনি এই চেক দিচ্ছেন, অন্তর্বর্তী সাহায্য তাকেই দিতে হবে বলে আইনে উল্লেখ রয়েছে।
যদি কেউ চেক বাউন্স হওয়া নিয়ে ট্রায়াল কোর্টে অভিযোগ দায়ের করেন, তাহলে যিনি এই চেক ইস্যু করেছেন, তাঁকে প্রথমেই ইস্যু করা চেকের ২০ শতাংশ অর্থ আদালতে জমা করতে হবে। সেই টাকা যাবে অভিযোগকারীর কাছে। আর বাকি টাকা চেক ইস্যু করার ৬০ দিনে মধ্যে জমা করতে হবে।
অর্থের পরিমাণ বেশি হলে দুটি কিস্তিতে টাকা দেওয়ার সুযোগ মিলবে। যদি অভিযুক্ত দোষী প্রমাণিত হন, তাহলে আগের ২০ শতাংশের সঙ্গে আরও ২০ শতাংশ অর্থ আদালতে জমা দিতে হবে। আদালত চাইলে অভিযুক্তকে ২০ শতাংশ অর্থ জরিমানাও করতে পারে। এই জরিমানার পরিমাণ ১০০ শতাংশও হয়ে যেতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications