ফের আবগারি নীতি মামলায় কেজরিওয়াল চাপের মুখে, তদন্ত শুরুতে অনুমোদন লেফটেন্যান্ট গভর্নরের
নতুন বছরে আবার জেল যাত্রা কেজরিওয়ালের? ফের কি গ্রেফতার হতে চলেছেন রাজধানীর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী? ইডির হাতে গুরুত্বপূর্ণ একটি কাগজ আসতেই এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের জন্য দিল্লির এলজি ভি কে সাক্সেনা শনিবার আপ প্রধান এবং দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে আবগারি নীতির মামলায় বিচার করার জন্য এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকে অনুমোদন দিয়েছেন। লেফটেন্যান্ট গভর্নরের অফিস সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে।
হাইকোর্ট ফৌজদারি মামলায় ট্রায়াল কোর্টের কার্যক্রম আপাতত স্থগিত করতে অস্বীকার করেছে। কেজরিওয়ালকে গত ১২ জুলাই আর্থিক তছরূপের মামলায় সুপ্রিম কোর্ট অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেয়। আবার ১৩ সেপ্টেম্বর সর্বোচ্চ আদালত তাকে সিবিআই মামলায় জামিনে মুক্তি দেয়। সিবিআই এবং ইডির মতে, আবগারি সংশোধন করার সময় অনিয়ম করা হয়েছিল। লাইসেন্সধারীদের জন্য নীতি এবং অযাচিত সুবিধা দেওয়া হয়েছিল সরকারের পক্ষ থেকে।

নতুন বছর, ২০২৫ সালেই দিল্লিতে বিধানসভা নির্বাচন। চতুর্থবার দিল্লির গদি দখল করতে মরিয়া আম আদমি পার্টি। কিন্তু ভোটের আগেই চাপে দলের সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল। জানা গিয়েছে, দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে তদন্তের অনুমোদন দিয়েছেন।
সুপ্রিম কোর্টের ৬ নভেম্বরের রায় উল্লেখ করেই এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট আর্থিক তছরূপ প্রতিরোধ আইন, ২০০২-এ অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে তদন্তের অনুমোদনের আর্জি জানিয়েছিল। লেফটেন্যান্ট গভর্নরকে পাঠানো চিঠিতে ইডি বলেছিল, দিল্লি আবগারি নীতিকে কেন্দ্র করে বিশাল দুর্নীতি হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্ট ৬ নভেম্বরের রায়ে নির্দেশ দিয়েছিল, সরকারের অনুমোদন ছাড়া কোনও জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা যায় না। সেই কারণেই লেফটেন্যান্ট গভর্নরের কাছে এই আর্জি জানিয়েছিল ইডি।
প্রসঙ্গত, সিবিআই ও রাজ্য পুলিশের অনুমোদনের প্রয়োজন হলেও, আগে সরকারি কর্মী বা জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিলের জন্য ইডির কোনও অনুমোদনের প্রয়োজন পড়ত না। কিন্তু গত নভেম্বরে কেজরিওয়াল দিল্লি হাইকোর্টে ইডির সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট বাতিলের আবেদন জানান। তখন তিনি যুক্তিতে বলেছিলেন, যে সময়ে দুর্নীতি হয়েছে বলে দাবি করছে ইডি, সেই সময় তিনি জনপ্রতিনিধি ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপের জন্য সরকারের কাছ থেকে কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি। তাই এবার আগাম অনুমতি নিল ইডি। আর তাতে অনুমতি তারা পেয়েও গেল।
যা জানা যাচ্ছে, দিল্লি হাইকোর্টে এই মামলার পরবর্তী শুনানি ১৭ জানুয়ারি, ২০২৫-এ।












Click it and Unblock the Notifications