উত্তাল কর্নাটকের শিবামোগা! ধৃতরা মাদকসক্ত ছিল, অনুমান পুলিশের
উত্তাল কর্নাটকের শিবামোগা! ধৃতরা মাদকসক্ত ছিল, অনুমান পুলিশের
হিজাব বিতর্কের মধ্যেই আবার হর্ষ হত্যা নিয়ে উত্তাল কর্নাটকের শিবামোগা। পেশায় দর্জি ওই যুবক বজরং দলের কর্মীও। তাঁকে ধারালো অস্ত্রের সাহায্যে খুন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছিল। যদিও ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনায় ৫ জন জড়িত ছিল বলে জানিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগা জ্ঞানেন্দ্র। ওই পাঁচ ব্যক্তি মাদকসক্ত ছিল বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান।

পুলিশ সুপার কী জানালেন
পুলিশ সুপার বি এম লক্ষ্মী প্রসাদ ডিএইচকে জানান, তদন্ত ইতিমধ্যে শুরু করা হয়েছে। আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন খাসিফ বয়স ৩০, সৈয়দ নাদিম বয়স ২০, যারা বুদ্ধ নগর ও জেপি নগরের বাসিন্দা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগা জ্ঞানেন্দ্র জানিয়েছেন, এই হর্ষ হত্যা কাণ্ডের ঘটনাটি হিজাবের সঙ্গে কোনও ভাবেই যুক্ত নয়।

এসপি বলেন
ঘটনায় এসপি জানান, হর্ষের সঙ্গে ৬ মাস আগে গ্রেপ্তার হওয়া এক জনের অশান্তি হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। কেন এই রকম ঘটনা ঘটল তা এখনও ধোঁয়াশা। যদিও গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা সন্দেহভাজনদের সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত কিনা তারই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনায় শহরে মোট ৪৫০ জন পুলিশ ২৫ জন অফিসার মোতায়েন করা হয়েছে।

বন্ধ করা হয়েছিল স্কুল
উল্লেখ্য, বজরং দলের ২৩ বছরের কর্মীকে রবিবার রাতে ধারালো অস্ত্রের সাহায্যে খুন করা হয়। আর এই ঘটনার পর থেকেই উত্তাল হয়ে ওঠে কর্ণাটকের শিবামোগা জেলা। বন্ধ করা হয়েছিল স্কুল। ঘটনার জেরে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। ঘটনায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বাসভরাজ এস বোমাই জানান, পুলিশ হত্যার ঘটনায় কিছু তথ্য খুঁজে পেয়েছে। আর সে বিষয়ে তাঁরা তদন্ত শুরু করে দিয়েছে।

জারি ১৪৪ ধারা
গ্রামীণ উন্নয়ন মন্ত্রী কে এস ঈশ্বরাপ্পা বলেন, হিজাবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার জন্য এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তিনি ডি কে শিবকুমারকে অর্থাৎ কর্ণাটকের কংগ্রেসের প্রধানকে দায়ী করছেন। ঘটনার জেরে জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারাও।

কীভাবে করা হয়েছিল হত্যা
একটি গাড়িতে করে দুষ্কৃতীরা এসে ধারালো অস্ত্র দিয়ে বজরং দলের ওই কর্মী হর্ষকে হত্যা করে। তারপর তাঁরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। যার জেরে আবারও উত্তপ্ত কর্ণাটক।












Click it and Unblock the Notifications