ছাত্রকে জঙ্গি বলায় দোষের কিছু নেই, শিক্ষকের মন্তব্যেকে গুরুত্ব দিতে নারাজ শিক্ষামন্ত্রী
ছাত্রকে জঙ্গি বলায় দোষের কিছু নেই, শিক্ষকের মন্তব্যকে করে বিতর্ক বাড়ালেন শিক্ষামন্ত্রী
কর্নাটকে এক মুসলিম ছাত্রকে জঙ্গি বলে আক্রমণ করায় শিক্ষককে নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে। এই বিতর্ক আরও কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিলেন কর্নাটকের শিক্ষামন্ত্রী। তিনি কিছুতেই সেই শিক্ষকের মন্তব্যকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। তিনি বলেছেন এই বিষয়টি নিয়ে বড় করে দেখার কিছু নেই। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য কয়েক মাস আগেই হিজাব বিতর্কে উত্তাল হয়ে উঠেছিল কর্নাটক। বিরোধীরা অভিযোগ করেছিলেন যে শিক্ষার গৈরিকীকরণ করতে চাইছে বিজেপি সরকার।

বেঙ্গালুরুর মনিপাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির এক অধ্যাপক এক মুসলিম ছাত্রকে জঙ্গি বলে ভর্ৎসনা করেছিলেন। তারপরেই তাই নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়ে যায়। এই বিষয়টি নিয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ কর্নাটকের শিক্ষামন্ত্রী বিসি নাগেশ। তিনি বলেছেন, এটা এমন কিছু ঘটনা নয় এত বেশি সমালোচনা করতে হবে। ছাত্রদের উপরে রেগে গিয়ে প্রায়ই শিক্ষকরা রাবণ, শকুনি বলে থাকেন। সেটাতে যদি অপরাধ না হয়। সেটা নিয়ে যদি সমালোচনা না হয়। তাহলে এটা নিয়েও এত বেশি আলোচনা করার প্রয়োজন নেই। এক কথায় িতনি এটা নিয়ে একেবারেই গুরুত্ব দিতে চাননি।
তিনি আরও বলেছেন, তবে শিক্ষকের এই মন্তব্য করা উচিত হয়নি। যেটা তিনি বলেছেন সেটা ঠিক নয়। এই ধরনের ভাষা ছাত্রদের উপরে প্রয়োগ করা উচিত নয়। তাতে শিক্ষকের সম্মান থাকে না। তবে তাই নিয়ে এত বড় করে বলারও কিছু নেই। সরকার বিষয়টি নজরে রেখেছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এই নিয়ে যথাসময়ে পদক্ষেপ করা হবে। বিতর্ক সামাল দিতে ইতিমধ্যেই সেই শিক্ষককে সাসপেন্ড করা হয়েছে। তারপরেই তিনি বলেন, জঙ্গি বলায় যেভাবে সমালোচনা করা হচ্ছে রাবণ বলা হলে কেন সমালোচনা করা হয় না। রাবণ শব্দটিও তো ভারতীয়দের কাছে যথেষ্ট নেতিবাচক।
কর্নাটকে শিক্ষাক্ষেত্রে হিজাব পরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। তাই নিয়ে উত্তাল হয়ে উঠেছিল গোটা রাজ্য। সরকারের নতুন শিক্ষানীতির প্রতিবাদে অসংখ্য মুসলিম ছাত্রছাত্রী রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। কর্নাটক সরকারের দাবি ছিল শিক্ষাঙ্গনে কখনও ধর্ম থাকবে না। সব পড়ুয়াই সমান। সেই সঙ্গে কর্নাটক সরকার যক্তি দিয়েছিল ইসলামে হিজাব পরা ধর্মীয় আচরণের মধ্যে পড়ে না। সেকারণেই হিজাবে নিষেধাজ্ঞায় কোনও ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত হানা হয়নি। কিন্তু তারপরেও বিক্ষোভ জারি থাকে। সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত মামলা গড়িয়েছিল। শেষে হাইকোর্টে এই মামলা স্থানান্তরিত করা হয়। কর্নাটক হাইকোর্ট অবশ্য কর্নাটক সরকারের সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications