কাশ্মীরে কেন্দ্রের 'ব়্যাডার'এ রয়েছে কোন গো্ষ্ঠীগুলি! ভূস্বর্গ স্বাভাবিক হলেও গোয়েন্দা-নজরদারি জারি
টানা প্রায় দুই সপ্তাহের থমথমে পরিস্থিতির পর ধীরে ধীরে চেনা ছন্দে ফিরছে কাশ্মীর। রাস্তায় দেখা যাচ্ছে মানুষের চেনা ব্যস্ততা। খুলছে দোকানপাট। সোমবার থেকে খুলবে ভূস্বর্গের ১৯০ টি স্কুল।
টানা প্রায় দুই সপ্তাহের থমথমে পরিস্থিতির পর ধীরে ধীরে চেনা ছন্দে ফিরছে কাশ্মীর। রাস্তায় দেখা যাচ্ছে মানুষের চেনা ব্যস্ততা। খুলছে দোকানপাট। সোমবার থেকে খুলবে ভূস্বর্গের ১৯০ টি স্কুল। আজ থেকে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে সেখানের মোবাইল সংযোগ। তবে এরই মধ্যে কিছুটা আশা আকাঙ্খা, আশঙ্কার বিদ্য়ুৎও খেলা করে যাচ্ছে গোটা কাশ্মীর জুড়ে। পরিস্থিতি যতই স্বাভাবিক হচ্ছে, ভূস্বর্গ জুড়ে কেন্দ্রে নজরে ততই 'ফোকাস' বাড়ছে বেশ কয়েকটি সংগঠনের ওপর।

কারা রয়েছে নজরে!
কাশ্মীর স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতেই কেন্দ্রের নজরে রয়েছে একাধিক সংগঠন। গোটা উপত্যকা জুড়ে গোয়েন্দাদের গোপন নজরদারির মধ্যে রয়ে গিয়েছে এই সমস্ত সংগঠনের গতিবিধি। উপত্যকায় শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এদেন ওপর কেন্দ্রও নজর রাখথে বলে জানা গিয়েছে। মূলত ৪ টি ফোকাস গ্রুপকে চিহ্নিত করে রেখেছে গোয়েন্দারা।

সংগঠন ও তাদের কাজ কর্ম
কাশ্মীরে 'মুভার্স অ্যান্ড শেকার্স' নামে একটি সংগঠনকে কেন্দ্র চিহ্নিত করে রেখেছে। মূলত এই গ্রুপের মধ্যে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন হুরিয়তের সদস্যরা ছাড়াও একাধিক পাকিস্তান পন্থী মানুষ রয়েছেন। এই সংগঠনের সদস্য হিসাবে কাশ্মীরের রাজনৈতিক নেতাদের নাম উঠে আসছে।

পরিস্থিতি 'ঠিক' করতে সেনা
জানা গিয়েছে, ভিতরে ভিতরে কাশ্মীরের বুকে অশান্তি তৈরি করতে যেসমস্ত সংগঠনগুলি চেষ্টা করে চলেছে, মূলত যারা কাশ্মীরে পাথর ছোঁড়ে, তাদের সঠিক পথে আনতে কেন্দ্র সেনার সাহায্য নিতে চলেছে। এর জন্য কাশ্মীরের প্রতিটি ২০ টি পরিবারের সঙ্গে সেনার সমন্বয়ে গঠিত হবে 'কমিউনিটি বন্ডস'। যার মাধ্যমে কাশ্মীরে পরিস্থিতি শান্ত রাখার সমস্ত রকমের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

চতুর্থ সংগঠন
চতুর্থ সংগঠনটি হল কাশ্মীরের বুকে যারা ধর্মের নামে বিচ্ছিন্নতাবাদ ছড়ানোর চেষ্টা করছে, তারা। এদের সংগঠনগুলিকে বাগে আনতে বেশ কিছু বিধি নিষেধ উপত্যকায় আপাতত রেখে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। যাতে কোনও মতে স্থানীয়দের ধর্মের নামে ভেদাভেদের নামে নিয়ে যেতে না পারে এই সংগঠনগুলি।












Click it and Unblock the Notifications