ISKCON: জগন্নাথের বিগ্রহ ছাড়াই অসময়ে রথযাত্রা! ‘নিষিদ্ধ হোক ইসকন,’ ধর্ম নিয়ে ছিনিমিনির অভিযোগ পুরীর ভক্তদের
ISKCON faces backlash: অকাল রথযাত্রা করে চরম নিন্দার মুখে ইসকন। সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার দাবি পুরীর গোবর্ধন পীঠের (Puri Govardhan Peeth)। ভারতের বাইরে অকাল রথযাত্রা (Untimely Rathyatra) না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাউস্টনে বিশেষ রথযাত্রার আয়োজন করে ইসকন। ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগে এবার ইসকনকে নিষিদ্ধ করার দাবি উঠল।
ভারতের বাইরে যেকোনও সময় রথযাত্রা করা হবে না। এই মর্মে পুরীর গজপতি মহারাজ ও ওড়িশা সরকারকে লিখিত দেয় ইসকন। কিন্তু এরপরেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে 'ফেস্টিভ্যাল অফ ব্লিস' নামক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ইসকন। সেখানে নন্দীঘোষ রথ বের করা হলেও তাতে জগন্নাথ প্রভুর বিগ্রহই রাখা হয়নি বলে অভিযোগ। সোমবার এমনই অভিযোগ তুলল পুরীর গোবর্ধন পীঠ।

এমনকি রথযাত্রায় বলরাম, শুভদ্রার বিগ্রহ ও সুদর্শন চক্রও রাখা হয়নি বলে অভিযোগ। এরপরই ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগ তুলে ওড়িশায় সরব হন শয়ে শয়ে ভক্ত। পুরীর গোবর্ধন পীঠের মুখপাত্র মাতরু প্রসাদ মিশ্র বলেন, "হিন্দুধর্মের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। লিখিত প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পরেও অকাল রথযাত্রা করেছে ইসকন। অবিলম্বে ইসকনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হোক।"
তীব্র ক্ষোভ ব্যাক্ত করেন ওড়িশার আইনমন্ত্রী পৃথ্বীরাজ হরিচন্দনও। গোটা বিষয়ে পুরীর শ্রী জগন্নাথ মন্দির কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানান তিনি। সেইমতো ব্যবস্থা নেবে রাজ্য সরকার। রেওয়াজ না মেনে কেন বিগ্রহ ছাড়া অসময়ে বের করা হল রথ, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভক্তবৃন্দ।
গোটা ঘটনায় পাল্টা সাফাই দিয়েছে হাউস্টনের ইসকন মন্দির কর্তৃপক্ষও। ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি আপলোড করে তারা জানিয়েছে, প্রথমে বিগ্রহ নিয়েই রথযাত্রা করার কথা থাকলেও স্থানীয় কিছু লোক আপত্তি জানায়। এরপর পরিকল্পনা বদলে বিগ্রহ ছাড়াই রথ বের করা হয়।
ইসকনের আরও দাবি, এই অনুষ্ঠানে রথ বের করা হয় যাতে মানুষ প্রভু জগন্নাথের দর্শনটুকু করতে পারেন। পরের মাসেই ভারতে ইসকনের সঙ্গে পুরীর মন্দির কর্তৃপক্ষের বৈঠক রয়েছে। সেখানে আলোচনার মাধ্যমেই যতটা সম্ভব সমস্যার সমাধান করা হবে বলে জানায় ইসকন কর্তৃপক্ষ।












Click it and Unblock the Notifications