ভারতে বাড়ছে মেডিকেল ট্যুরিজমের মার্কেট, স্পেশ্যাল প্যাকেজ দিচ্ছে আইআরসিটিসি

ভারতে বাড়ছে মেডিকেল ট্যুরিজমের মার্কেট, স্পেশ্যাল প্যাকেজ দিচ্ছে আইআরসিটিসি

ভারত মেডিকেল ট্যুরিজমের হাব হয়ে গিয়েছে। বিশ্বের অন্তত ৬টি মেডিকেল গুরুত্ব আছে এমন স্থানের মধ্যে পড়ছে। ক্রমে বাড়ছে এই ইন্ডাস্ট্রি। মেডিকেল ট্যুরিজম বড় হচ্ছে দিল্লি, চেন্নাই, মুম্বই, কোচিতে। স্বাস্থ্যের জন্য এখানে আসছেন সুদূর আফ্রিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ। এই দেখে আইআরসিটিসি মেডিকেল ট্রিটমেন্ট প্যাকেজ শুরু করেছে। মানুষের সহজলভ্য হয় এমন দামে তা দেওয়া হচ্ছে। ভারতে এই মার্কেট বাড়ছে দেখেই এই সিদ্বান্ত নিয়েছে রেল।

ভারতে মানুষ আসছে চিকিৎসার জন্য

ভারতে মানুষ আসছে চিকিৎসার জন্য

বিগত কিছু বছরে এশিয়ার মধ্যে ভারতে অনেক ভালো চিকিৎসা হচ্ছে। তাই এখানে দেশ বিদেশ থেকে মানুষ আসছে। বলা হচ্ছে বিগত কিছু দশক ধরে ধীরে ধীরে ভারতে বেড়েছে এই ইন্ডাস্ট্রি। আর সেটাকেই ধরতে চাইছে রেল। শুক্রবার তাঁরা এমনটাই জানান।

এই সার্ভিস পেতে গেলে কাস্টমারকে আইআরসিটিসি'র ট্যুরিজম পোর্টালে লগ ইন করতে হবে। পূর্ন করতে হবে প্রয়োজনীয় তথ্যের জন্য দেওয়া জায়গা। যা ট্রিটমেন্টের জন্য প্রয়োজন সেই তথ্য দিতে হবে।

কীভাবে পাবেন পরিষেবা?

কীভাবে পাবেন পরিষেবা?

আবেদন সম্পূর্ণ হয়ে গেলে আইআরসিটিসির টিম কাস্টমারকে ফোন করে নেবে। জানবে যে কী চিকিৎসার জন্য সে আসছে। সেই মতো দেওয়া হবে প্যাকেজ। বাজেট বুঝে বলা হবে সেই প্যাকেজ।

ট্যুরিজমের মার্কেটিং

ট্যুরিজমের মার্কেটিং

সংস্থা বেশ জোড় দিয়ে মেডিকেল ট্যুরিজমের মার্কেটিং করছে। ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে যে অফিসাররা আছেন তাদের মাধ্যমে হচ্ছে প্রচার। রিজিওনাল অফিসার, জোনাল অফিসারদেরও কাজে লাগানো হচ্ছে। সংস্থা যোগ স্থাপন করে রেখেছে বিভিন্ন হাসপাতাল, নার্সিং হোম এবং ডায়গনেস্টিক সেন্টারের সঙ্গে। তাদের সেই।প্যাকেজে রাখা হচ্ছে।

বাড়ছে ইন্ডাস্ট্রি

বাড়ছে ইন্ডাস্ট্রি

সংস্থা যে পরিবার এখানে আসছে স্বাস্থ্য পরিষেবার জন্য তাঁদের সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিচ্ছে। তথ্য বলছে যে ৬.৯৭ লক্ষ মেডিকেল টুরিস্ট ভারতে এসেছে ২০১৯ সালে। ভারত মেডিকেল ভ্যালু ট্যুরিজমের বৈশ্বিক লাভের ৬ শতাংশের অংশীদার হবে ২০২৩ সালের মধ্যে। ইন্ডিয়ান পাবলিক এডমিনিষ্ট্রেশন এই বিষয়ে এক তথ্য দিয়েছে। তার ভিত্তিতেই এই কথা বলছে আইআরসিটিসি।

ট্রেন ভ্রমণের আনন্দ নিশ্চিত করতে কিছু বিষয় জানা প্রয়োজন। সেই কথাই বলে রেল। ল যাত্রার আগে টিকিট হারিয়ে গেলে অথবা ছিঁড়ে গেলে, নিয়ম হচ্ছে সংশ্লিষ্ট থানায় লিখিত রিপোর্ট জমা করা। তার পর রিজার্ভেশন অফিসারকে থানার রিপোর্টের ফটো কপি সমেত লিখিত আবেদন করতে হবে। টিকিটের তথ্যাদি অনুসন্ধানের পর মূল টিকিটের মূল্যের কিছু শতাংশ (বিভিন্ন সময় বিভিন্ন 'রেট' ধার্য হয়) আবার দিলে ডুপ্লিকেট টিকিট ইস্যু করা হয়।

প্রবীণ নাগরিক বা শারীরিক অক্ষমতা থাকলে বড় স্টেশনে ব্যাটারিচালিত গাড়ি পাওয়া যায়। সে ক্ষেত্রে ডেপুটি স্টেশন ম্যানেজার (কমার্শিয়াল)-এর সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয়। সেই গাড়িতে করে অনায়াসে ট্রেনের কামরা পর্যন্ত যাওয়া যায়। এ ছাড়া স্টেশনগুলিতে হুইলচেয়ার এবং স্ট্রেচারও থাকে। এর জন্যও স্টেশনে কর্মরত রেলকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।

প্রতি যাত্রী স্লিপার ক্লাসে এবং এসি থ্রি টিয়ারে সর্বাধিক ৪০ কেজি, এসি টু টিয়ারে ৫০ কেজি এবং এসি ফার্স্ট ক্লাসে ৭০ কেজি মাল বিনামূল্যে নিয়ে যেতে পারেন। সামান্য বেশি হলে ক্লাস অনুযায়ী কিছু ছাড় দেওয়া হয়। শিশুদের ক্ষেত্রে বড়দের অর্ধেক ওজনের মাল নিয়ে যাওয়া যেতে পারে। এর বেশি হলে সবাইকেই নির্দিষ্ট হারে মূল্য দিয়ে 'বুক' করতে হবে।

তৎকাল টিকিট যাত্রার এক দিন আগে বুক করা যায়। এসি ক্লাসের বুকিং শুরু হয় সকাল ১০টা থেকে এবং নন এসি ক্লাসের জন্য সকাল ১১টা থেকে। যাত্রার আগে ফাইনাল চার্ট না হওয়া পর্যন্ত তৎকালে টিকিট কাটা যায়। ক্লাস অনুযায়ী ন্যূনতম ১০০ থেকে সর্বাধিক ৫০০ টাকা বাড়তি ভাড়া দিতে হয়। রেলের ৩টি হেল্পলাইন রয়েছে। যে কোনও অনুসন্ধানের জন্য: ১৩৮। রিজার্ভেশন ও ট্রেন চলাচলের জন্য: ১৩৯
আরপিএফের সহায়তা দরকার হলে: ১৮২।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+